ঢাকাMonday , 2 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হাজার বছরের পুরনো অবকাঠামোর সন্ধান

Link Copied!

বগুড়া ভিসুবিহার

বগুড়া ভিসুবিহার

বগুড়া প্রতিনিধি : হাজার বছর আগের প্রাচীন অবকাঠামোর সন্ধান মিলিছে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকা ভাসুবিহারে।
দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতত্ত্ব অঞ্চল এটি। প্রত্নতাত্ত্বিক খননে সন্ধান পাওয়া গেছে ইটে তৈরি অবকাঠামো, মাটির তৈরি সিলিংসহ নানা ধরনের প্রত্নতাত্তিক নিদর্শন। ছয় সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠনের মাধ্যমে ২৩ জানুয়ারি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ওই এলাকায় প্রত্নতাত্ত্বিক খনন শুরু হয়। খননকালে এসব নিদর্শন পাওয়া গেছে।
কমিটির সদস্যরা হলেন- মহাস্থান যাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মজিবর রহমান, সহকারী কাস্টোডিয়ান এসএম হাসানাত বিন ইসলাম, সিনিয়র ড্রাফটম্যান মো. আফজাল হোসেন, ফটোগ্রাফার আবুল কালাম আজাদ ও সার্ভেয়ার লোকমান হোসেন।
খনন কমিটির সদস্য ও মহাস্থান যাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মজিবর রহমান জানান, খননে পাওয়া ইটের অবকাঠামো প্রায় এক হাজার বছরের পুরোনো। খনন এলাকায় আরও পাওয়া গেছে একটি গর্ত যেখানে একত্রে ছিল মৃৎপাত্রের টুকরা এবং মাটির পাতিলের ভগ্নাংশ। Bogra-picture-01আরেক সদস্য আফজাল হোসেন জানান, মন্দিরের সামনের অংশে খননে পাওয়া অবকাঠামোর কিছু অংশ সম্ভবত মন্দিরে প্রবেশের জন্য ব্যবহার করা হতো। তবে এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে আরও খননের পর।
ছয় সদস্য বিশিষ্ট এ খনন দলের প্রধান আঞ্চলিক পরিচালক নাহিদ সুলতানা জানান, ইতোমধ্যেই পাওয়া গেছে পাল আমলের শেষ দিকে নির্মিত ইটের অবকাঠামো। এছাড়াও পাওয়া গেছে মৃৎপাত্রের অনেক টুকরা।
প্রত্মতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক আব্দুল খালেকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অধিদপ্তর ১৯৭৩ সালে প্রথম এ সাইটে খনন করে। তখন পাওয়া যায় ব্রঞ্জের তৈরি বেশ কয়েকটি মূর্তিসহ নানা ধরনের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। গত কয়েক বছর খননে এখনো আরও পাওয়া গেছে হরফ সম্বলিত নামা ধরনের সিল, মাটির মূর্তি ও পোড়ামাটির ফলকসহ নানা ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। BOGRA-02চীনের পরিব্রাজক হিউয়েন-সাং ৬৩৯ থেকে ৬৪৫ পর্যন্ত বেঙ্গল ভ্রমণের এক পর্যায়ে আসেন পোসিপো বিহারে। তখন তিনি সেখানে দেখতে পান প্রায় ৭০০ বৌদ্ধভিক্ষু। প্রত্নতাত্ত্বিকরা মনে করেন পোসিপো বিহারই ভাসুবিহার। প্রাচীন এ সাইটটি আশে-পাশে কোনো একটি স্থানে সম্রাট আশোক, গৌতম বুদ্ধের সম্মানে একটি স্তুপও নির্মাণ করেছিলেন বলে প্রত্নতাত্ত্বিকরা মনে করেন।