ঢাকাSaturday , 7 September 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নড়াইলে আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

Link Copied!

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পেড়লীতে বিগত ১৬ বছর যাবত আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড এবং বিএনপি নেতাকর্মীসহ নিরীহ নিরাপরাধ লোকজনের নামে ষড়যন্ত্রমূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় পেড়লী বাজারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বিএনপির নির্যাতিত নেতা কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।মানববন্ধন চলাকালে বক্তৃতা করেন পেড়লী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি ও কালিয়া উপজেলা কমিটির সদস্য শেখ আলতাফ হোসেন আনসারী, জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক মো: শহিদুল ইসলাম মোল্যা, সাবেক ছাত্রনেতা নেছার আহমেদ, ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো: হামিদুল শেখ। উপস্থিত ছিলেন কালিয়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি কামাল সিদ্দিকী, বিএনপি নেতা রহমত হোসেন, জামির হোসেন মোল্যা, জহিরুল ইসলাম, ইসরাফিল জোয়াদ্দার, বায়েজীদ আহমেদ, ইয়ামিন শেখ, আতিয়ার রহমান, কৃষকদল নেতা আলমগীর মোল্যা প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দে ২০১৭ সালের ২৫ মে পেড়লীতে সংঘটিত সংঘর্ষে কালিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মোফাজ্জেল হোসেন শেখ এবং স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা বদরুল শেখ খুন হন। মোফাজ্জেল হত্যাকান্ডে বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের শায়েস্তা করতে যুবদল নেতা শহিদুলসহ বিএনপির নেতা কর্মীদের আসামি করা হয়। আওয়ামীলীগ নেতা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আনিসুলু ইসলাম বাবু ও জারজিস মোল্যার অভ্যন্তরীণ দ্বন্দে ২০২৩ সালের ২০ জুলাই সন্ধ্যায় পেড়লী মহসিন মোড়ে যুবলীগ নেতা আজাদ শেখকে দলীয় লোকজন কুপিয়ে হত্যা করে। এ হত্যাকান্ডের জের ধরে স্থানীয় আওয়ামীলীগের লোকজন শহিদুল ইসলাম, শেখ আলতাফ আনসারীসহ বিএনপি নেতা কর্মীদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর, লুটতরাজ চালায়। নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র, ধান,পাট, গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগী ও ঘের ও পুকুরের মাছ লুট করে নিয়ে যায়। বাড়ির ফলজ ও বনজ গাছ কেটে ফেলা হয়। যা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে হার মানায়। বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও ভাংচুরের ঘটনায় মাথা গোঁজার ন্যূনতম ঠাঁই ছিল না ক্ষতিগ্রস্তদের।বাড়িছাড়া শতশত পরিবারের লোকজন গত ১ বছরের বেশি সময় ধরে অন্যত্র আশ্রয় নেন। এ মামলায় বিএনপি নেতা কর্মীদের আসামি করে বাড়ি ছাড়া করা হয়। স্কুল কলেজে যেতে না পারায় অনেক ছেলেমেয়ের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়। যুবদল নেতা শহিদুলের স্কুল শিক্ষিকা স্ত্রীকে মেরে ফেলার ও চাকুরিচ্যুতের ভয়ভীতি দেখানো হয়। গত ৪ আগষ্ট আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় আওয়ামীলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায়ও শহিদুল মোল্যা ও শেখ আলতাফ আনসারীসহ ১১জনের নামে মামলা করা হয়েছে। এছাড়া বিএনপি নেতা-কর্মীদের নামে আরও কয়েকটি হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ৫ আগষ্ট স্বৈরাচার আওয়ামীলীগের পতন হলেও পেড়লী আওয়ামীলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা বাইরে থেকে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ভাড়া করে এনে বিএনপির নেতৃস্থানীয় নেতা কর্মীদের হত্যার পরিকল্পনাসহ নানাভাবে ক্ষয়ক্ষতির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে আমরা পেড়লীতে আইনশৃংখলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধির জোর অনুরোধ জানাচ্ছি।
মানববন্ধন শেষে সংবাদ সম্মেলন করে বক্তারা বলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম পেড়লীর ব্যাপারে সার্বিকভাবে অবগত আছেন এবং আওয়ামী অপশাসনের বিরুদ্ধে বিএনপি দলীয় লোকজনের পাশে সবসময় থাকবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।