বিএনপির নাম ভাঙিয়ে যারা চাঁদাবাজি করবে তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে জানিয়ে কেন্দ্রীয় কৃষকদলের যুগ্ম-সম্পাদক কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ বলেছেন,’কোন চাঁদাবাজের স্থান বাঞ্চারামপুরে হবে না। যারা চাঁদাবাজি করবে তাদেরকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করা হবে। শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বাঞ্চারামপুর উপজেলা বিএনপি’র উদ্যোগে বাঞ্চারামপুর ফেরিঘাট বালুর মাঠে স্বৈরাচার শেখ হাসিনাসহ তার দোসরদের বিচারের দাবিতে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী সরকার বিরোধী আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত নয়ন হত্যার বিচার দ্রুত করার দাবি জানিয়ে মেহেদী হাসান পলাশ বলেন,’ নয়ন হত্যা মামলার বিচার দ্রুত করতে হবে। প্রয়োজনে ট্রাইবুনাল গঠন করে দ্রুত বিচার করতে হবে। কেউ যদি নয়ন হত্যা নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় তাদের কেউ বিচারের মুখোমুখি করা হবে, কাউকে ছাড় হবে না। তিনি বলেন, ‘বাঞ্চারামপুরের উপজেলা চেয়ারম্যান এবং পৌর মেয়রকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।ক্যাপ্টেন তাজের পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব অবিলম্বে জব্দ করতে হবে।তিনি মুক্তিযুদ্ধের জাল সার্টিফিকেট বিক্রি করে হাজার হাজার কোটি দুর্ণীতি করেছে।এই দুর্ণীতিবাজ পরিবারের সকলকে গ্রেফতার করতে হবে। শেখ হাসিনা সহ সব অপরাধীর বিচার দাবি করে পলাশ আরও বলেন,’সীমাহীন অন্যায় অত্যাচার করে যে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে সেই খুনি হাসিনার ক্ষমা নেই।একই সাথে পালিয়ে যাওয়া দলের কাউকে বাঞ্ছারামপুর স্বাভাবিক কার্যক্রম করতে দেয়া হবে না।তাদেরকে যেখানেই পাওয়া যাবে আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে।বিশেষ করে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের বিরুদ্ধে অর্থ যোগানদাতা মানবপাচারকারী কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা রফিকুল ইসলাম আবুলকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক লিয়াকত আলী ফরিদের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মহসিনের সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ কে এম ভিপি মুসা।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির
আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল আইয়ুম, আব্দুল করিম চেয়ারম্যান, সাখাওয়াত হোসেন, স্বপন শিকদার, দেলোয়ার হোসেন সবুজ, আবু হানিফ মাঝি, আব্দুল করিম, জাহাঙ্গীর চেয়ারম্যান, মো:সেলিম, আব্দুল মতিন, রফিকুল ইসলাম সেন্টু, জাহাঙ্গীর আলম, শাহ আলম সরকার, জাহাঙ্গীর, সেলিম শুকুরি, কামাল হােসেন, হবি মিয়া, যুবদলের সভাপতি হারুনুর রশিদ আকাশ, যুবদলের পৌর সদস্য সচিব মোহাম্মদ সামি, কৃষকদলের সভাপতি ওয়াসী উদ্দীন মেহেদী, সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের মাহবুব হাসান, ছাত্রদলের সদস্য সচিব লিটন সরকার, মোহাম্মদ ফাহাদ, আশিকুর রহমান অন্তু, মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, ইসমাইল হোসেন রাজু, আব্দুল কুদ্দুস, আমান উল্লাহ আমান, রেজা, মো:সাইফুল ইসলাম নয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি সাধারণ সম্পাদকসহ ছাত্রদল যুবদল মহিলা দল কৃষক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

