শত ছাত্র জনতার এই শহীদি পদযাত্রায় প্রতিধ্বনিত হয়েছে মু্ক্তির শ্লোগান, মুক্ত বাংলাদেশের শ্লোগান। মুখে মুখে উচ্চারিত হয়েছে শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ মাহফুজুর রহমান, মুগ্ধসহ গণআন্দোলনে নিহত অনেকের নাম।
বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫ টার দিকে বাগেহাটের মোড়েলগঞ্জ কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে শোক র্যালি বের করা হয়। শহীদদের ছবিযুক্ত প্ল্যাকার্ড নিয়ে যুক্ত হয়েছে বহু মানুষ। এ সময় ছাত্র জনতা শ্লোগান দেয়, তুমি কে আমি কে/ বাঙালি, বাঙালি, আবু সাঈদ মুগ্ধর রক্ত/ বৃথা যেতে দেব না, আমার ভাই কবরে/ খুনি কেন বাহিরে, লেগেছে রে লেগেছে/রক্তে আগুন লেগেছে, বিচার চাই, বিচার চাই/খুনি হাসিনার বিচার চাই। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মোড়েলগঞ্জ নব্বইরশি বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, আজ থেকে এক মাস আগে ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে যে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি, সেই বাংলাদেশ পাওয়ার এক মাস পূর্ণ হয়েছে আজ। কিন্তু এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, আমরা আমাদের হাজারেরও বেশি ভাইকে হারিয়েছি, যারা শহীদ হয়েছেন। নিহতদের স্মরণে এই ‘শহীদী মার্চ’ কর্মসূচি পালন করছি আমরা।
তারা আরও বলেন, আমরা অসংখ্য ভাইকে আহতাবস্থায় এখনো হাসপাতালে দেখতে পাই। অনেকের হাত নেই, অনেকে তাদের পা হারিয়েছেন। অনেকের চোখ হারিয়েছেন। যে ক্ষতি তাদের পরিবারের হয়ে গেছে, এই দুনিয়াতে সেটি পূরণ করা সম্ভব নয়। কিন্তু আমাদের মনে হয়েছে আমরা আমাদের অবস্থান থেকে দাঁড়িয়ে ন্যূনতম শ্রদ্ধা জানাতে পারি, দোয়া করতে পারি। সে জায়গা থেকে আজকে আমরা এই ‘শহীদি মার্চের’ আয়োজন করেছি। আলোচনা শেষে নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

