ঢাকাMonday , 19 August 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ওয়াসার তাক‌সিম এ খা‌নের বিরুদ্ধে বি‌দেশযাত্রায় নি‌ষেধাজ্ঞা

Link Copied!

ঢাকা ওয়াসার সা‌বেক ব্যবস্থাপনা প‌রিচালক তাক‌সিম এ খা‌নের বি‌দেশযাত্রায় নি‌ষেধাজ্ঞা দি‌য়ে‌ছে দুর্নী‌তি দমন ক‌মিশন (দুদক)। সোমবার সংস্থা‌টি থে‌কে এ সংক্রান্ত এক‌টি চি‌ঠি পু‌লি‌শের বি‌শেষ শাখায় পাঠা‌নো হয়। দুদ‌কের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছে। নাম প্রকা‌শে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা ব‌লেন, তাক‌সিম এ খা‌নের বিরু‌দ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রক‌ল্পে দুর্নী‌তিসহ বেশ কিছু অভিযোগ অনুসন্ধান চল‌ছে। সুষ্ঠু অনুসন্ধা‌নের স্বার্থে তার বি‌দেশযাত্রা নি‌ষেধাজ্ঞা চে‌য়ে ইমি‌গ্রেশ‌নে চি‌ঠি দেয়া হ‌য়ে‌ছে। এর আগে গত বছর ২৩ শে মে ওয়াসায় অবৈধ নি‌য়োগের অভিযোগ অনুসন্ধান শে‌ষে মামলার অনু‌মোদ‌নের জন্যসুপা‌রিশ চে‌য়ে প্রতি‌বেদন দা‌খিল ক‌রেন দুদকের উপ‌প‌রিচালক সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
এতে বলা হয়েছে, অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয় পরিচালক (উন্নয়ন) ও পরিচালক (কারিগর) এই দুটি পদ ওয়াসার অর্গানোগ্রামে না থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটির এমডি প্রভাব খাটিয়ে দুজনকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছেন। আর চার বছরের বেশি সময় ধরে তাদের বেতন বাবদ ১ কোটি ৯৮ লাখ ৬৫ হাজার ৯৮০ টাকা দেওয়া হয়েছে। নিয়মবহির্ভূতভাবে নিয়োগ হওয়ায় এই পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়, যে দুজনকে নিয়মবহির্ভূতভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা হলেন-পরিচালক (উন্নয়ন) মো. আবুল কাশেম ও পরিচালক (কারিগর) এ কে এম সহিদ উদ্দিন। ঢাকা ওয়াসার ২৫২ তম সভায় এই দুই কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ওই সভায় ৭ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সভায় নিয়োগের পক্ষে যারা মত দিয়েছেন, তারা হলেন-অতিরিক্ত সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) সুধাংশু শেখর বিশ্বাস, এফসিএ ভাইস প্রেসিডেন্ট মু. মাহমুদ হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের প্রতিনিধি প্রকৌশলী মো. নুরুজ্জামান, ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের সভাপতি প্রকৌশলী এ কে এম হামিদ, ডিএনসিসির কাউন্সিলর আলেয়া সারোয়ার ডেইজি, ডিএসসিসির কাউন্সিলর মো. হাসিবুর রহমান মানিক ও ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খান।
দুদক সূত্রে জানা যায়, ঢাকা ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান, এমডিসহ সাতজন সদস্য এবং চাকরি গ্রহণকারী দুজন মিলিয়ে মোট ১০ জনকে মামলায় আসামি করার সুপারিশ করা হয়েছে।
দুদক সূত্র মতে, ২০০৯ সালে ঢাকা ওয়াসার এমডি হিসেবে নিয়োগ পান প্রকৌশলী তাকসিম এ খান। এরপর একাধিকবার সময় বাড়িয়ে ওই পদে আছেন তিনি।
তার বিরুদ্ধে বারবার নিয়োগবিধি অমান্য করার অভিযোগ উঠে। এ ছাড়া ওয়াসার এমডিসহ অন্যদের বিরুদ্ধে সংস্থাটির পদ্মা-জশলদিয়া প্রকল্পে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা, গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার প্রকল্পে ১ হাজার কোটি টাকা, দাশেরকান্দি পয়োশোধনাগার প্রকল্পে ১ হাজার কোটি টাকা, গুলশান-বারিধারা লেক দূষণ প্রকল্পে ৫০ কোটি টাকার অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক সৈয়দ নজরুল ইসলাম এই অনুসন্ধান করছেন