ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি : ফরিদগঞ্জ পৌরসভার হাটবাজার ও বাসস্ট্যান্ডের ইজারার টেন্ডার জমা দেয়া নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংর্ঘষ হয়েছে। এতে আহত হয়েছে উভয় পক্ষের অন্তত তিনজন।
বুধবার দুপুর ১টার দিকে ফরিদগঞ্জ পৌর কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- খলিলুর রহমান(২৬), বিল্লাল হোসেন(২৯) ও ইউসুফ ভূইয়া(৩৫)। তারা ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ পৌর কার্যালয়ে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পৌরসভার ফরিদগঞ্জ বাজার ও ফরিদগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের ১৪২২ সালের ইজারার জন্য টেন্ডার জমাদানের জন্য বুধবার ছিল প্রথম পর্যায়ের শেষ দিন। দুপুর ১টার দিকে হাজী আউয়াল সুইটসের মালিক উপজেলা আওয়ামী লীগে উপদেষ্টা হাজী আউয়ালের পক্ষে ফরিদগঞ্জ পৌরসভায় টেন্ডার জমা দিতে যান তার সমর্থকরা। এসময় পৌর যু্বলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন হাজারীর লোকজন তাদের বাধা দেয়। এতে দুই পক্ষে কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের হামলায় হাজী আউয়ালের দুই ছেলে খলিলুর রহমান ও বিল্লাল হোসেন এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল খায়ের পাটয়ারীর ভাগিনা ইউসুফ ভূঁইয়া আহত হন। পরে লোকজন এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এব্যাপারে হাজী আউয়ালের ছেলে আখের হোসেন জানান, তারা তার বাবার নামে দরপত্র জমা দিতে এসেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই জমা দিতে বাধা দেন লিটন হাজারীর লোকজন। পরে তারা টেন্ডার জমা দিলেও প্রতিপক্ষের হামলায় তার দুই ভাইসহ তিনজন আহত হয়।
সংঘর্ষের বিষয়টি স্বীকার করে পৌর কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের টেন্ডার জমায় কোনো সমস্যা হয়নি।
এব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু সাহেদ সরকার সংর্ঘষের কথা শুনেছেন জানিয়ে বলেন, টেন্ডার নিয়ে এভাবে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া ঠিক হয়নি।

