ভোক্তা পর্যায়ে ডিম, আলু, পেঁয়াজ, সয়াবিন তেল ও চিনির দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে নির্ধারিত দাম বেঁধে দেওয়া হয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক নির্দেশনায়। প্রতিপিস ডিম ১২ টাকা, প্রতি কেজি আলু ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা। ডিমের দাম স্বাভাবিক থাকলেও পেঁয়াজের দাম ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, আলু প্রতি কেজি ৬০থেকে ৬৫ টাকা, সয়াবিন তেল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা ।বাজারের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের লাগামহীন মূল্যের কারণে দুঃখ এবং হতাশা প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা ।বাজারের এই দুরাবস্থার জন্য জনগণ সিন্ডিকেটকেই দায়ী করছেন।বাজার করতে আসা একজন বেসরকারি কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান টিটু বলেছেন, কি করবো কিছুই করার নেই, সরকার কি দামে বেঁধে দিল বা দিল না সেই অপেক্ষায় কি সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা বসে থাকে? যেভাবে বিচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালনা করছে সরকার তাতে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, যারা আড়তদার তারাই কম দামে পণ্য বিক্রি করছেন না । তাহলে আমরা খুচরা বিক্রেতা কিভাবে দাম কমাবো। জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত বাজার পর্যবেক্ষণ করে আসছেন কিন্তু তারা চলে যাবার পর আবার আগের পর্যায়ে চলে আসে।

