ঢাকাTuesday , 24 February 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হত্যা মামলায় ৩ জনের ফাঁসি, ৫ জনের যাবজ্জীবন

Link Copied!

Cortকুমিল্লা প্রতিনিধি : কুমিল্লায় তোফাজ্জল হোসেন (৩৫) নামে এক প্রবাসী হত্যা মামলায় তিন জনের মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
হত্যাকাণ্ডের ১৪ বছর মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক চমন চৌধুরী এ আদেশ দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার যশপুর গ্রামের মৃত আলী নেওয়াজের ছেলে মো. আবু তাহের ওরফে ছরু মিয়া (৫০), মো. নোয়াব আলীর ছেলে মো. আবদুস ছালাম ওরফে লিটন (৩০) ও মৃত মনোহর আলীর ছেলে জহিরুল ইসলাম জহির (৪২)।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা কলেন- একই এলাকার মো. বাহার ওরফে রোজেন (৩১), মো. মিজানুর রহমান, নগরীর ভাটপাড়া এলাকার মো. আরিফুজ্জামান ওরফে ইমন (৩৫) ও আদর্শ সদর উপজেলার সীমন্তপুর গ্রামের মো. আবদুল মান্নান। এদর সবাই পলাতক রয়েছেন।
২৭ পাতার রায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পড়ে শোনালে তারা কান্নায় ভেঙে পড়েন।
মামলার বাদী হারুন মিয়া রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, শিগগিরই রায় কার্যকর দেখতে চান তিনি।
মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০০০ সালের ১ অক্টোবর মধ্যরাতে ১২/১৩ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার যশপুর গ্রামের প্রবাসী তোফাজ্জল হোসেনের বাড়িতে ডাকাতি করতে যায়। এ সময় বাধা দিলে আসামিরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করেন।
এ ঘটনায় ২ অক্টোবর তোফাজ্জল হোসেনের চাচাতো ভাই মো. হারুন অর রশিদ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১২-১৩ জনকে আসামি করে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।
এর প্রেক্ষিতে ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর একই গ্রামের মো. নোয়াব আলীর ছেলে মো. মো. আবদুস ছালাম ওরফে লিটনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জহিরুল ইসলাম। পরে এ ঘটনার সঙ্গে লিটন জড়িত নেই বলে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন তিনি।
বাদী ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজী দিলে আদালত অধিকতর তদন্তের জন্যে মামলাটি সিআইডিতে পাঠান। পরবর্তীতে তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক মো. সিরাজুল হক ২০-২৫ জনের নাম উল্লেখ করে ২০০৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
এ মামলায় ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তিন জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্তি পি.পি অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ফারুক আহম্মেদ ও অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম।