আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে ১০ দলের নারী টি-২০ বিশ্বকাপ। আইসিসির এই মেগা আসরের স্বাগতিক মর্যাদায় গর্বিত বাংলাদেশ দারুণ কিছু’র স্বপ্ন দেখছে।
হাবিবুল বাশার সুমনকে উইমেন্স উইংয়ের প্রধানের দায়িত্ব দিয়ে সে বার্তাটাই দিতে চেয়েছে বিসিবির উইমেন্স উইং। ইতোমধ্যে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে বাংলাদেশ ক্রিকেট নারী দলের ফিটনেস ট্রেনিং শুরু হয়েছে ।
২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে মেয়েদের স্পিন বোলিং ক্যাম্প। চার দিনের সেই ক্যাম্প শেষে নারী ক্রিকেটারদের দুই সপ্তাহের স্কিল ক্যাম্প হবে খুলনায়। সেখান থেকে ফিরে মিরপুরে শুরু হবে অস্ট্রেলিয়া নারী দলের বিপক্ষে সিরিজের প্রস্তুতি।
বাংলাদেশ নারী দলের সঙ্গে এই প্রথম দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ খেলবে অস্ট্রেলিয়ার মেয়েরা। আগামী ১৬ মার্চ নারী ক্রিকেটের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা বাংলাদেশ সফরে আসবে ৩ ওডিআই ও ৩ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ খেলতে। সব ম্যাচই হবে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ শেষ হওয়ার পর আগামী এপ্রিল মাসের শেষ দিকে বাংলাদেশ সফরে আসবে ভারত নারী দল। এই সিরিজটি অবশ্য আইসিসির ফিউচার ট্যুর প্রোগ্র্যামের (এফটিপি) বাইরে।
পর পর এই দুটি সিরিজকে নারী টি-২০ বিশ্বকাপের পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন উইমেন্স উইংয়ের প্রধান হিসেবে সদ্য নিয়োগ পাওয়া হাবিবুল বাশার সুমন। ক্রিকবাজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন তিনি- ‘ অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে সিরিজ খেলার পর আমােদের অবস্থান কোথায়, তা জানার ভালো সুযোগ পাওয়া যাবে। যদি আমরা একটি ইতিবাচক ফলাফল অর্জন করতে পারি, তাহলে আমাদের দলের আত্মবিশ্বাস বাড়বে। কারণ সবাই ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দলকে হারানোর মূল্য জানে।
আমরা তাদের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মুখিয়ে আছি। যদি ইতিবাচক ফল পাই, তাহলে আমরা ভাল একটা আত্মবিশ্বাস অর্জন করতে পারবো।’

