ঢাকাMonday , 12 February 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘কিংব্যাক’ মোনেম মুন্নার ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

Link Copied!

বাংলাদেশের ফুটবলের স্বর্ণযুগের এক বড় তারকা ছিলেন মোনেম মুন্না। মাঠের পারফরম্যান্সের কারণে দেশ ও দেশের বাইরে ছিল তার আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা। ১৯৬৬ সালে জন্ম নেওয়া এই ফুটবলারকে বলা হয় বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা ডিফেন্ডার। রক্ষণভাগে দারুণ সব জাদু দেখিয়ে সমর্থকদের কাছে পরিচিত হয়েছিলেন ‘কিং ব্যাক’ নামে।
বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ২০০৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি মাত্র ৩৮ বছর বয়সে এই তারকা পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করলেও আজও দেশের তরুণ প্রজন্ম তাকে মনে রেখেছে। এর প্রমাণ পাওয়া যায় জাতীয় নারী দলের ফুটবলার সানজিদা আক্তারের ফেইসবুক পোস্টে। মুন্নার মৃত্যুবার্ষিকীতে এক আবেগঘন পোস্টে তারই যেন স্মৃতিচারণ করেন বর্তমানে কলকাতার ইস্ট বেঙ্গলের হয়ে খেলা এই মিডফিল্ডার।
সোমবার নিজের ব্যক্তিগত ফেইসবুক পেইজে মুন্নাকে নিয়ে জাতীয় দলের সাবেক জার্মান কোচ অটো ফিস্টারের এক উদ্ধৃতি দিয়ে সানজিদা লেখেন, “‘He was mistakenly born in Bangladesh.’ কথাটি বলেছিলেন জার্মান কোচ অটো ফিস্টার। যাকে ঘিরে এই ভারি কথাটি বলেছিলেন তিনি মোনেম মুন্না। বাংলাদেশের মানুষ যাকে “কিং ব্যাক” নামে চেনে। আজ উনার মৃত্যুবার্ষিকী। মাত্র ২০ বছর বয়সে জাতীয় দলে অভিষেক হয়ে সাফে রানার্স-আপসহ দেশের হয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা অর্জন করেছিলেন। রেকর্ড ব্রেকিং ট্রান্সফার, ফুটবল মাঠ থেকে বিজ্ঞাপন, দেশের বাইরের ক্লাবে এসে সুখ্যাতি অর্জন সবই করেছেন তিনি। অল্পদিনের মধ্যেই এতকিছু অর্জন করে অসুস্থতাজনিত কারনে মাত্র ৩১ বছর বয়সে ফুটবলকে বিদায় জানান এবং ৩৮ বছর বয়সে দুনিয়াকে বিদায় জানান। খুব দ্রুত চলে যাবেন বলেই হয়তো সুখ্যাতি, জনপ্রিয়তা, ট্রফি সহ সবকিছু অর্জন করতে বড্ড তাড়াহুড়ো ছিলো উনার।”
তবে মৃত্যুর ১৯ বছর পরেও এখন পর্যন্ত মুন্নার স্মৃতি সংরক্ষণের তেমন কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের বা ক্লাবগুলোর। তাই এই তারকা ফুটবলারের স্মৃতি ধরে রাখার দাবিও জানান সানজিদা।
“ইষ্ট বেঙ্গল ক্লাবে এসে যখন উনার ছবি দেখেছিলাম, তখন খুব গর্বিত হয়েছি। আমার অগ্রজ, আমাদের হিরো, তিনি একান্তই আমাদের। দেশের এরকম সূর্যসন্তানদের স্মৃতি যথাযথভাবে ধরে রাখা এবং অক্ষুণ্ণ রাখার ব্যবস্থা থাকা উচিত বলে মনে করি। পাইওনিয়ারে শান্তিনগর ক্লাবের হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা এই কিংবদন্তি হয়তো কিছুটা হলেও এতে শান্তি পাবেন। অগ্রজদেরকে সম্মানিত করা এবং স্মরণ করার রীতি থেকে আমরা সরে গেলে, অদূর ভবিষ্যতে আমরাও পরবর্তী প্রজন্মের নিকট কিছু আশা করতে পারি না। আল্লাহ তায়ালা, উনাকে জান্নাতবাসী করুন। আমিন।”