চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ২নং ওয়ার্ড। এই গ্রামের মানুষ ছিল একসময় শান্ত প্রিয়। ৫ জন কু-চক্রি এলাকাটিকে অপকর্মের বেড়াজালে অশান্ত পরিবেশ তৈরী করার অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিন গিয়ে এমন তথ্য ফুটে উঠেছে।
স্থানীয় গ্রামছাড়া ফাতেমা বেগম বলেন, আবদুল করিম, আবদুল মালেক, ফরহাদ পাটওয়ারী, কাদের পাটওয়ারীর ছেলে সোহেল ও সোহাগ এলাকায় অপকর্ম করে অর্থ হাতিয়ে নেয়া হয়ে উঠেছে তাদের পেশা ও নেশা। অনেকে তাদের নাম শুনলে নাক সীটকায়। আমি নারী হয়েও ওই সকল হোতাদের অত্যাচারে এখন ঢাকায় বসবাস করছি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনাও অর্থ নিয়ে ভাগ-বাটোয়ারা করে হুমকি-ধামকি দিয়ে বেড়ায়। শশা গাছ কেটেও টাকা লোপাটের অভিযোগ রয়েছে। জনৈক দানশীল প্রবাসী ব্যক্তি এলাকায় দানের হাত বাড়িয়ে দিলে তার বিরুদ্ধেও অপরাধীরা মিথ্যাচার করে থাকে। তাকে মারধর করেছে। শশীভূষণ থানা পুলিশের খাতায় প্রবাসী নির্দোষ প্রমাণিত হয়।
তথ্যসূত্রে জানা যায়, উপজেলার হাজারীগঞ্জ ২নং ওয়ার্ড এলাকায় আবদুল করিম, আবদুল মালেক, ফরহাদ পাটওয়ারী, কাদের পাটওয়ারীর ছেলে সোহেল ও সোহাগ । গ্রাম থেকে এলাকাছাড়া ফাতেমা বেগম বলেন, আমি এই সকল লোকজনের অত্যাচারে আজ ঢাকায় ১ বছর যাবৎ বসবাস করতে হচ্ছে। আত্মীয়-স্বজন রেখে আসতে হচ্ছে। স্থানীয় রাসেল বলেন, আবদুল করিম শশাগাছ নিজে কেটে আমাদের ৩ জনের কাছ থেকে ১৮ হাজার টাকা আদায় করেছে। এলাকায় খ্যাচ খাওয়ায় তাদের কাজ।
এলাকার মো. আশরাফ বলেন, রুবেল কর্তৃক ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনায় স্থানীয় ইউপি সদস্য মহিউদ্দিন ফয়সালা না দেয়ায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আবদুল করিম বলেন, আমি এই সকল কাজের সাথে জড়িত নই, আমি কাউকে হুমকি প্রদান করিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মহিউদ্দিন হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, আমার কথা না শুনায় অমি অধিকাংশ বিষয় ফয়সালা করতে পারি না।
শশীভূষণ থানার ওসি ম. এনামুল হক বলেন, অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

