ঢাকাWednesday , 11 February 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আইনজীবীদের সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষের হাতাহাতি

Link Copied!

Highcourtনিজস্ব প্রতিবেদক : সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতা, আইনজীবী ও সুপ্রিমকোর্ট কর্তৃপক্ষের লোকদের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে আইনজীবী সমিতির ভবনের পেছনে এবং অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের পাশের একটি জায়গা দখল ও ক্যান্ট্নি নির্মাণকে কেন্দ্র এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, আইনজীবী সমিতি ভবনের পেছনের একটি জায়গায় সমিতির পক্ষ থেকে আইনজীবীদের জন্য খাবার ক্যান্টিন নির্মাণের কাজ শুরু করে। কিন্তু ক্যান্টিন নির্মাণের কাজ বন্ধ করতে সুপ্রিমকোর্ট কর্তৃপক্ষ অভিযান চালায়। খবর পেয়ে বেলা সোয়া ৪টার দিকে আইনজীবী সমিতির নেতারা ও সাধারণ আইনজীবীরা বাধা দিতে গেলে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি, হাতাহাতি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। এতে একজন আইনজীবী ও সুপ্রিমকোর্ট কর্তৃপক্ষের কয়েকজন আহত হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার এক পর্যায়ে আইনজীবী সমিতির নেতাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও উচ্চস্বরে বাক্য বিনিময় হয়। পরে উভয়পক্ষের আলোচনা সাপেক্ষে পরিবেশ শান্ত হয়।
এদিকে আইনজীবীর ওপর হামলার প্রতিবাদে সুপ্রিমকোর্টে মিছিল ও সমাবেশ করেন আইনজীবীরা। এসময় সুপ্রিমকোর্ট বারের সহসভাপতি একেএম রেজাউল করিম, সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সাবেক সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা, সাবেক সহসম্পাদক রফিকুল ইসলাম তালুকদার রাজা, সহসম্পাদক নাসরিন আকতার, সদস্য আইয়ূব আলী আশরাফিসহ শতাধিক আইনজীবীকে দেখা যায়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সুপ্রিমকোর্ট বারের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আইয়ূব আলী আশরাফি বলেন, ‘জায়গাটিতে আগে একটি ক্যান্টিন ছিল। আইনজীবীদের আপত্তিতে এখানকার ক্যান্টিনটি ভেঙে দেয়া হয়। পরে সেখানে তিনতলা বিশিষ্ট একটি ক্যান্টিন নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ শুরু করে বারের নেতারা।’
তিনি বলেন, ‘বুধবার এক পর্যায়ে পুলিশসহ একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ১০/১২ জনের একটি দল নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়ার জন্য বাধা দেয়।
খবর পেয়ে আইনজীবী সমিতি ও আইনজীবীরা গঠনাস্থলে ছুটে এসে প্রতিবাদ করলে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে।
আইয়ূব আলী আশরাফি বলেন, ‘আইনজীবী শরীফ ইউ আহমেদের ওপর হামলা করা হয়। তার গায়ে রড দিয়ে তিন থেকে চারটি আঘাত করা হয়।’
পরবর্তিতে এ ঘটনার সমাধান করতে একজন অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার সুপ্রিমকোর্ট বারের সম্পাদকের কাছে আসেন। বিষয়টি নিয়ে উভয়ের মধ্যে আলোচনা হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।