চলতি বছরের ৩ মে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে নোঙর করে রাখা বালুবোঝাই বাল্কহেডের সঙ্গে স্পিডবোটের সংঘর্ষে স্পিডবোট ডুবে ২৬ জন প্রাণ হারায়।এর পর থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখা হয়। দীর্ঘ পাঁচমাস দুইদিন বন্ধ থাকার পর শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও মাঝিরকান্দি নৌরুটে আবারও চালু হচ্ছে স্পিডবোট।
বিআইডাব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ জানান, অনিবন্ধিত স্পিডবোটের নিবন্ধন, চালকের যোগ্যতা সনদ ও রুট পারমিট প্রক্রিয়ার পর স্পিডবোট সচলের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে বুধবার (৬ অক্টোবর) থেকেই এ রুটে চালতে পারে স্পিটবোট।
শিমুলিয়া-বাংলাবাজার এবং মাঝিকান্দি নৌরুটে স্পিডবোটের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় ১৪৫টি আবেদন পাওয়া গেছে। যার মধ্যে কাগজপত্র ঠিক থাকায় নিবন্ধন পেয়েছে ১২৬টি। পাশাপাশি ১২০ চালক পেয়েছে যোগ্যতা সনদ। এখন পর্যন্ত ১৯ জনের রুট পারমিট পাওয়া গেছে। মঙ্গলবারও (৫ অক্টোবর) কিছু রুট পারমিট প্রধান কার্যালয় (ঢাকা) থেকে আসবে। এর উপর নির্ভর করবে বুধবার (৬ অক্টোবর) থেকে স্পিডবোট চলাচলের বিষয়টি। এসব কথা জানান, বিআইডব্লিউটিএ শিমুলিয়া ঘাটের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপ-পরিচালক শাহাদাত হোসেন।
শিপ সার্ভেয়ার ঢাকা সদরঘাটের মো. মামুনুর রশিদ জানান, মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া এবং আরিচা ঘাটের ২৩২ স্পিডবোট ইতিমধ্যে রেজিস্ট্রেশন, সার্ভে এবং চালকের সনদ দেওয়া হয়েছে। আমরা যান দেখাশোনা করি কিন্তু নদী দেখাশোনা করে বিআইডব্লিটিএ। তাই কবে থেকে স্পিডবোট চলবে তা বিআইডব্লিটিএ বলতে পারে।
প্রসঙ্গত, অনিবন্ধিত স্পিডবোট ও চালকদের লাইসেন্স ছাড়া চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বিআইডব্লিউটিএ। পাশাপাশি নিবন্ধন ও রুট পারমিটের উদ্যোগ নেয় কর্তৃপক্ষ।

