আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি : আশুলিয়ার মধ্য গাজিরচট এলাকায় আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে ৫ একর জমি জবর দখল করতে ৫ রউন্ড গুলি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আশুলিয়ার মধ্য গাজিরচট উষাপল্ট্রী এলাকায় মঙ্গলবার সকালে এ গুলি করেজমি দখলের ঘটনা ঘটেছে।
জমির মালিক আব্দুর রহিম খান জানান, ২০০২ সালে আশুলিয়ার মধ্য গাজিরচট এলাকায় ৫ একর জমি ক্রয় করে শান্তিপূর্ণভাবে বাউন্ডারি করে কেয়ারটেকার রেখে ভোগদখল করে আছে। এ সময় বিএস রেকর্ড আসলে সে রেকর্ডও তার নামে করিয়ে খাজনা খারিজ করিয়েছেন।
রহিম খান আরও বলেন, মতিন মিয়া ও তার স্ত্রী মরিয়ম ইয়াসমিন গোপনে এ জমি তাদের দেখিয়ে প্রতারণা করে এ বছরের মে মাসে একটি বিদেশি কোম্পানীর সাথে ভাড়া চুক্তিতে আবদ্ধ হয়।
বিদেশি ওই কোম্পানী তাদের ভাড়াকৃত জমিতে ভুল তথ্য দিয়ে আনসার অনুমোদন করান। এ সময় আনসাররা ২৩-০৫-২১ তারিখ রহিম খানের ক্রয়কৃত জমির কেয়ার টেকার ও লোকজনকে সরে যেতে চাপ প্রয়োগ করে। এ ঘটনা রহিম খানের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক ও ঢাকা জেলা কমান্ডেন্টের কার্যালয়ে তার জমির কাগজপত্র দেখিয়ে আনসার প্রত্যাহারের আবেদন জানান। এ সময় এমএ মতিন আনসার মহাপরিচারকের কাছে জমির কোন কাগজপত্র দেখাতে না পারায় আনসার প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।
এদিকে বিদেশি কোম্পানিকে জমিটি মতিনের দখলে দেখাতে মতিন বাহিনী মরিয়া হয়ে ওঠেছে।
মঙ্গলবার সকালে ২০-২৫ জন সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে উক্ত জমিতে পাহারারত কেয়ারটেকার ও লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় মতিন বাহিনী তার (রহিম) লোকজনকে লক্ষ্য করে ভয়ভীতি দেখাতে ৫ রাউন্ড গুলি করে। এ সময় আশপাশের লোকজন ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে দিগি¦দিক ছুটাছুটি করে।
গুলির খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ও র্যাব-৪ এর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এলাকাবাসী জানান, রহিম খানের ও এমএ মতিনের মধ্যে এ জমি নিয়ে যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বেঁধে যেতে পারে।
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার এসআই ফরহাদ ইবনে করিম বলেন, মধ্য গাজিরচট এলাকার একটি বাউন্ডারির মধ্যে কনস্ট্রাকশনের কাজ করছিল শ্রমিকরা। এ সময় অজ্ঞাতনামা লোকজন এসে গুলি করে শ্রমিকদের তাড়িয়ে দেয়। ঘটনাটির তদন্ত চলছে।

