ঢাকাTuesday , 11 May 2021
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বিমানের হস্তক্ষেপ কামনা
ইষ্টার্ন হাউজিংয়ে বহুতল ভবন নির্মাণে চরম বিপাকে প্লট মালিকরা

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর ইষ্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের বৃহৎ আবাসন প্রকল্প পল্লবী ২য় পর্বের অদূরেই বিমানের রাডারের জন্য প্লট মালিকরা তাদের প্লটে বহুতল ভবন নির্মাণ করতে পারছেন না। প্লট মালিকরা তাদের এত দামি প্লটে বহুতল ভবন নির্মাণ করতে না পেরে পরিবার পরিজন নিয়ে ঠিকভাবে বসবাস করতে পারছেন না। অপরদিকে ডেভেলপার কোম্পানীর মালিকরা এই এলাকায় তাদের ব্যবসা করতে পারছেন না। যে কারণে ঘনবসতি এ নগরে আবাসন সমস্যা আরও ঘনীভূত হচ্ছে। তাই বিমানের রাডারটিকে আরও উঁচুতে স্থাপনের জন্য জোর দাবি জানিয়েছে ঐ এলাকার সকল প্লট ও ডেভেলপার কোম্পানীর মালিক। পল্লবী ২য় পর্বের প্লট ও ফ্ল্যাট মালিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা, স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা উদ্ভূত সমস্যার সমাধানে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
জানা যায়, ইষ্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের পল্লবী ২য় পর্বের এই প্রকল্পটি ১৯৮৭ সালে একটি আবাসিক এলাকা হিসেবে রাজউকের স্বীকৃতি পায়। যা রূপনগর ও বেড়িবাঁধ সংলগ্ন প্রায় ৩৩৪ একর জায়গা নিয়ে গঠিত। বর্তমানে এই এলাকায় প্রায় লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। পুরো এলাকাজুড়ে মসজিদ-মাদ্রাসাসহ মোট ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। যা অপর্যাপ্ত।
এ প্রকল্পের পাশে বিমানের রাডার স্থাপিত হওয়ায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর আশপাশে ১ মাইলের মধ্যে ৪ তলার বেশি উচ্চতার কোন ভবন নির্মাণের অনুমোদন দিচ্ছে না। তবে কিছু কিছু ভবন মালিকরা রাজউকের অনুমোদন উপেক্ষা করে ৪ তলার অনুমোদন নিয়ে ৬ তলা/৭ তলা নির্মাণ করেছেন। তাদের দাবি, ২০০৬ সালের আগে রাজউক এই এলাকায় ৬ তলা/৭ তলা উচ্চতায় ভবন নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে। সেসময় অনেক ভবন নির্মিত হয়েছে। সেসব ভবনের জন্য আজ অবদি কোন সমস্যা হয়নি। এখনো সমস্যা হবে না ইনশাআল্লাহ্। ঐ এলাকার অধিকাংশ প্লট ও ডেভেলপার কোম্পানীর মালিকরা বলেন, এ সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ একত্রিত হয়ে কাজ করে যাচ্ছি। এ ছাড়া রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অধিকাংশ কর্মকর্তারা আমাদের পক্ষে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। তারা বলেছেন, এ এলাকায় আগে রাজউকের ৬ তলা/৭ তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন ছিল, তখন কোন সমস্যা হয়নি এখনও হবে না। এরপরও রাডারের উচ্চতা বাড়ালে তো কোন কথাই থাকে না।
অধিকাংশ প্লট মালিকরা মনে করেন, এ এলাকায় যে টাকা দিয়ে জমি কিনেছি সেই টাকা দিয়ে অন্য এলাকায় জমি কিনে বাড়ি করলে স্বাচ্ছন্দে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করা যেত এবং ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়ে আয়ও করা যেত। ডেভেলপার কোম্পানীর মালিকরা বলেন, এই এলাকায় ৪ তলার অনুমোদন নিয়ে ব্যবসা করলে পথে বসতে হবে।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘ ৩৪ বছর যাবৎ এ এলাকায় কোন রাস্তা পিচ দিয়ে ঢালাই করা হয়নি। পুরো এলাকার রাস্তাঘাট খানাখন্দে ভরাসহ পয়ঃনিষ্কাশন, ড্রেনেজ, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা ও চিত্তবিনোদনের স্থান সংকুলানসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত। পুরো এলাকার রাস্তাঘাট শুষ্ক মৌসুমে যেমন ধুলার রাজ্যে পরিণত হয়, তেমনি বর্ষাকালে থাকে কাঁদাজলে ভরপুর। লক্কর-ঝক্কর মার্কা এসব রাস্তা দিয়ে অসুস্থ কাউকে নিয়ে চলাচল করা খুবই কষ্টকর। ঢাকার মত একটা জায়গায় এমন রাস্তা দেখলে মনে হয় যেন কোন অজপাড়া গাঁয়ের রাস্তা। এসব ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাফেরা করছে। এ পরিস্থিতিতে অত্র এলাকার সকল প্লট ও ডেভেলপার কোম্পানীর মালিকদের কাছে রাডারটিকে আরো উঁচুতে স্থাপন করা প্রাণের দাবি হয়ে উঠেছে।