পাবনা প্রতিনিধি : মাত্র দুই কিলোমিটার ভাঙা সড়ক সংস্কার না করায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে প্রায় ১০ হাজার মানুষ। পাবনার সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গি-আড়িয়া গোহালবাড়ি এলাকার এই দুই কিলোমিটার সড়কে প্রায় এক যুগ ধরে সংস্কারের ছোঁয়া না লাগায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদ বা স্থানীয় প্রকৌশল অধিদফতরে আবেদন নিবেদন করেও কোনো কাজ হয়নি বলে জানিয়েছেন ওই এলাকার ৫-৬ গ্রামের মানুষ।
বছরের পর বছর সংস্কারহীন থাকায় বালিয়াডাঙ্গি-আড়িয়া গোহালবাড়ির দুই কিলোমিটার সড়ক এখন চলাচলের অনুপযোগী হলেও এ সড়ক দিয়েই বালিয়াডাঙ্গি, আড়িয়া গোহালবাড়ি, জোতকাকুরিয়া, ভাদুর ডাঙা, দীঘিরপাড়াসহ ৫-৬টি গ্রামের কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষ উপজেলা সদরে যাতায়াত করে। কেননা উপজেলা সদরে যেতে যোগাযোগের এটি একমাত্র সড়ক।
বালিয়াডাঙ্গি গ্রামের আশরাফুল হক জানান, প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় আগে বালিয়াডাঙ্গি-আড়িয়া গোহালবাড়ি সড়কটি পাকা করতে টেন্ডার আহ্বান করা হয়। ঠিকাদার সড়কে শুধু বালু আর খোয়া দিয়ে কোনো রকমে ‘কমপ্রেস’করে চলে যান। এরপর থেকে সড়কটি আর সংস্কারের মুখ দেখেনি। এখন এ সড়কে খোয়া (ইটের টুকরা) পর্যন্ত উঠে গেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই কাদায় ধান রোপণের মাঠের মতো অবস্থা হয়ে যায়।
আড়িয়া গোহালবাড়ির গ্রামের আবু কালাম জানান, রাস্তা ভাঙা তাই দ্বিগুণ ভাড়া দিলেও কোনো যানবাহন যেতে চায় না। দুর্ভোগ লাঘবে সড়কটি দ্রুত সংস্কার চান তিনি।
চরতারাপুর ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও বালিয়াডাঙ্গি গ্রামের আনিসুর রহমান জানান, এটা এলজিডির আওতাধীন সড়ক। মাটি ফেলা ছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের কোনো বাজেট থাকে না।
চরতারপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রবিউল হক টুটুল জানান, ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তা পাকা করার মতো বাজেট থাকে না।
পাবনা সদর উপজেলা প্রকৌশলী বাচ্চু মিয়া জানান, উপজেলা প্রকৌশল অধিদফতর রাস্তাটি সার্ভে করেছে। শিগগিরই সড়কটি সংস্কার হবে।

