ঢাকাFriday , 9 October 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কাজ না পাওয়ায় রাজউকের প্রকৌশলীকে মেরে ফেলার হুমকি, অফিস কক্ষ ভাঙচুর

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : দরপত্রের কাজ পেতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) দুই প্রকল্প পরিচালকের কক্ষে ঢুকে ভাঙচুরসহ প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে প্রকৌশলীর কক্ষে ঢুকে তাকে এই হুমকি দেন।
ঝিলমিল প্রকল্পের পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম ও উত্তরা আরটিএম (৩য় ফেইজ) প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুল আওয়ালের কক্ষে ঢুকে রাজীন ইন্টারন্যাশনালের মালিক মীর মঞ্জুর হোসেন এই ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ করেছেন রাজউক কর্মকর্তারা।
ভুক্তভোগী প্রকৌশলী ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. নুরুল ইসলাম জানান, ঝিলমিল প্রকল্পের কিছু কাজের জন্য টেন্ডারের ইভালিউশন চলছে, এখানে ইজিপিতে ওপেন টেন্ডার হয়। এখানে কাজ দেওয়ার কোন সুযোগ থাকে না। বহুদিন ধরে রাজউকের তালিকাভুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাজিন ইন্টারন্যাশনালের মালিক মঞ্জুর হোসেন তাকে ফোনে কাজ দেয়ার জন্য নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে মঞ্জুর হোসেন প্রকল্প পরিচালক মো. নুরুল ইসলামের কক্ষে প্রবেশ করে তার কাছে সরাসরি ঠিকাদারি কাজ দাবি করেন। এ সময় প্রকল্প পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম ইজিপির মাধ্যমে অংশগ্রহণ করার পরামর্শ দেন এবং সরাসরি কাজ পাইয়ে দেওয়ার কোনো ক্ষমতা তার নেই বলে জানিয়ে দেন। এ কথা বলার পরই মঞ্জুর হোসেন ক্ষুব্ধ হন। কাজ না দিলে দেখে নেবেন। প্রাণে মেরে ফেলবেন বলে হুমকি দেন। এক পর্যায়ে মঞ্জুর হোসেন ও তার সাথে আসা লোকজন ঐ কক্ষের আবসাবপত্র ভাঙচুর করেন।
মো. নুরুল ইসলাম জানান, এর আগেও এ ব্যাপারে থানা পুলিশকে অবগত করার পর তারা তদন্ত করেছে।
এদিকে উত্তরা আরটিএম (৩য় ফেইজ) প্রকল্প পরিচালক আওয়াল জানান, ‘মঞ্জুর সাহেব আমাকে মাঝে মাঝে ফোন করে কাজ দেওয়ার কথা বলে। নানা জন দিয়ে তদবির করায়। কিন্তু আমি বলে দিয়েছি, নিয়মের বাইরে গিয়ে কাজ দেওয়ার কোনো সুযোগ আমার নেই।’
‘গতকাল কয়েকবার ফোন করেছিল আমি ধরতে পারিনি। আজকে অফিসে এসে প্রথমেই বলে কাল আমার ফোন ধরেননি কেন? আমার চাকরির বয়স প্রায় শেষ, বয়সও অনেক হয়েছে। এ সময় আমার অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সামনে অকথ্য ভাষায় গালামন্দ করেছে।’
কোন কাজ পাওয়ার জন্য এমন আচরণ করেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘উত্তরা আরটিএম (৩য় ফেইজ) প্রকল্পের ১২টি কাজের টেন্ডার হয়েছে, মঞ্জুর সাহেব ৪টিতে অংশগ্রহণ করেছে।’
প্রকল্প পরিচালক আব্দুল আওয়াল বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি চেয়ারম্যান স্যারকে বিষয়টি জানিয়েছি, তাছাড়া মতিঝিল থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছি।’
এসব ব্যাপারে ঠিকাদার মঞ্জুর হোসেন বলেন, তিনি একটি টেন্ডারে অংশগ্রহণ করে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি নুরুল ইসলামের কক্ষে গিয়েছিলেন সেটার খোঁজ নিতে। নুরুল ইসলাম জানান, যাচাই-বাছাই চলছে। এছাড়া কোনো কথা তার সাথে হয়নি। কক্ষ ভাঙচুর করারও কোনো প্রশ্নই আসে না। কখনোই আমি এ ধরনের কথা বলেছি বলে কেউ বলতে পারবে না।
এ বিষয়ে মতিঝিল থানার ওসি ইয়াসির আরাফাত জানান, ‘বিষয়টি শোনার পর আমাদের একটি টিম ওখানে গিয়েছিল। চেয়ারম্যান স্যারের সঙ্গে কথা হয়েছে। রোববার তারা কী করবেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন বলে আমাদের জানিয়েছেন। কনক্রিট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আমরা ব্যবস্থা নেয়া হবে।’