ঢাকাSunday , 16 August 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ডোপ টেস্টে পজিটিভ হলে চাকরি থাকবে না: ডিএমপি কমিশনার

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : সন্দেহভাজন মাদকসেবী পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। পরীক্ষায় ‘পজিটিভ’ এলে, অর্থাৎ মাদক সেবনের প্রমাণ মিললে তাকে চাকরি হারাতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, মাদকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি চলছে। যে উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা মাদকের বিরুদ্ধে নেমেছিলাম, তা অব্যাহত রাখতে হবে। আর তা করতে গিয়ে মাদকসেবী পুলিশ সদস্য থাকলে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।
রোববার (১৬ আগস্ট) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রাজারবাগ পুলিশ লাইনস অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ডিএমপির মাসিক অপরাধ সভায় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন তিনি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘বিট পুলিশিং ও গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রাওয়া তথ্য কাজে লাগিয়ে মাদকসেবীদের তালিকা করতে হবে। আমরা তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুনর্বাসনে সহযোগিতা করব।’
পথশিশুদের মাদকসেবনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যেসব পথশিশু মাদক ও ড্যান্ডি খাচ্ছে, তাদের দিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ভবিষ্যতে বড় হয়ে ছিনতাইসহ অপরাধমূলক কাজে এদের জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।’ শিশুদের কাছে যেন জুতার সল্যুশন আঠা বিক্রি করা না হয়, সে বিষয়ে দোকানদারদের কঠোরভাবে সতর্ক করার নির্দেশ দেন তিনি।
মাসিক অপরাধ বিষয়ক সভায় উঠে আসে, ঢাকা মহানগর এলাকায় জুলাইয়ে উদ্ধার করা মাদকের পরিমাণ এবং গ্রেফতার আসামি ও এ সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। ফলে সবাইকে ফের মাদকের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার তাগাদা দেওয়া হয়।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ডিএমপির মনিটরিং সেলের মাধ্যমে থানায় সেবাপ্রত্যাশীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দেখা যাচ্ছে, থানায় মামলা ও জিডি গ্রহণের ক্ষেত্রে পুলিশের আচরণে জনসাধারণ সন্তুষ্ট হচ্ছেন। এটা আমাদের ধরে রাখতে হবে এবং সেবার মান আরও বাড়াতে হবে। ঢাকা মহানগরে সংঘটিত হত্যা, ডাকাতি ও ছিনতাই মামলার পরিমাণও অনেক ভালো বলে জানান ডিএমপি কমিশনার।
এ সময় জুলাই মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন কমিশনার। ক্রাইম বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে মিরপুর বিভাগ, গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে গোয়েন্দা তেজগাঁও বিভাগ এবং ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে যৌথভাবে প্রথম হয়েছে গুলশান ও উত্তরা বিভাগ। সন্তোষজনক কাজের জন্য ৩৭ জনকে ডিএমপির মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুরস্কৃত করা হয়।