ঢাকাMonday , 10 August 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কমিউনিটি ট্রান্সমিশন’ ছাড়াই ১০০ দিন পার নিউজিল্যান্ডের

Link Copied!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গত ১ মে’র পর থেকে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের কোনো ঘটনা ঘটেনি নিউজিল্যান্ডে। সে হিসাবে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন ছাড়াই ১০০ দিন পার করেছে দেশটি। এই অর্জনকে স্বাগত জানালেও ‘সেকেন্ড ওয়েভে’র শঙ্কায় আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রোববার (৯ আগস্ট) ছিল নিউজিল্যান্ডে ‘কমিউনিটি ট্রান্সিমিশন’বিহীন ১০০তম দিন। এদিন পেরিয়েও কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের কোনো ঘটনা পাওয়া যায়নি। শুধু তাই নয়, রোববার টানা চতুর্থ দিনের মতো নতুন কোনো করোনা রোগীই শনাক্ত হয়নি। সেই হিসাবে দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ব্যক্তির সংখ্যা ২৩-এই স্থির রয়েছে, যাদের সবাইকেই আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়, বিশ্বের অনেক দেশের মতোই গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে নিউজিল্যান্ডে শনাক্ত হয় করোনাভাইরাসের উপস্থিতি। তবে দ্রুতই দেশটিতে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ১ মে থেকে তো কমিউনিটি ট্রান্সমিশনই বন্ধ হয়ে যায়।
এর আগ পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন এক হাজার ২১৯ জন। এর মধ্যে ২২ জন মারা যান। বিশ্বের অন্যান্য দেশের পরিসংখ্যান বিবেচনায় নিউজিল্যান্ডের এই পরিসংখ্যান একে করোনা মোকাবিলায় অত্যন্ত সফল দেশগুলোর একটি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আর এর অন্যতম রূপকার মনে করা হয় দেশটির প্রধানমন্ত্রী জেসিকা আরডেনকে, যিনি শুরু থেকেই করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কঠোর সব ব্যবস্থা আরোপ করে এসেছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার পর মার্চের শুরু থেকেই লকডাউন জারি করে নিউজিল্যান্ড সরকার। কঠোরভাবে সেই লকডাউন পালন করা হয়। ওই সময় সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়, করোনা বিষয়ক বার্তা যথাযথভাবে প্রচার করা হয় এবং শুরু থেকেই সবাইকে ব্যাপক হারে করোনা পরীক্ষার আওতায় নিয়ে আসা হয়। এর ফলে বলতে গেলে এই ভাইরাসকে যথাযথভাবে প্রতিরোধ করতেও সক্ষম হয় দেশটি।
এর সুফলও এখন ভোগ করছে নিউজিল্যান্ড। কমিউনিটি ট্রান্সমিশন ছাড়াই শততম দিন যেমন পেরিয়ে গেছে, তেমনি টানা চার নতুন কোনো সংক্রমণই শনাক্ত হয়নি। মার্চে যে কঠোর লকডাউন আরোপ করা হয়েছিল, তাও ধীরে ধীরে উঠে গেছে। বর্তমানে বলতে গেলে করোনা সংক্রান্ত তেমন কোনো বিধিনিষেধের মধ্যেই থাকতে হচ্ছে না দেশটির নাগরিকদের।