ঢাকাMonday , 20 July 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের আরও ৩ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : মাস্ক-পিপিই ক্রয় দুর্নীতির অনুসন্ধানে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) আরও তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
প্রথম পর্যায়ে সিএমএসডি’র সিনিয়র স্টোর কিপার মো. ইউসুফ ফকিরের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে দুদক পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে একটি টিম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এছাড়া, আজ সিএমএসডি’র উপপরিচালক ডা. মো. জাকির হোসেন ও সাবেক মেডিক‌্যাল অফিসার (চিফ কো-অডিনেটর) ডা. জিয়াউল হককেও পর্যায়ক্রমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পরিচালক) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য‌্য এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) সিএমএসডি’র তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। গতকাল সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. শাহজাহান, সাবেক ডেস্ক অফিসার-৮ ও অতিরিক্ত দায়িত্ত্ব স্টোর ডা. সাব্বির আহম্মেদ, স্টোর অফিসার কবির আহম্মেদকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।
গত ১২ জুলাই তাদের তলব করে নোটিশ পাঠানো হয়। এরইমধ্যে মাস্ক-পিপিই ক্রয় দুর্নীতির অনুসন্ধানে মেসার্স জেএমআই হাসপাতাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমাটেডের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রাজ্জাক, তমা কনস্ট্রাকশনের সমন্বয়কারী (মেডিক্যাল টিম) মো. মতিউর রহমান ও মেডিটেক ইমেজিং লিমিটেডের পরিচালক মো. হুমায়ুন কবিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক।
তবে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজির হননি এলান করপোরেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিন ও মো. মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠু।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কোভিড-১৯ এর চিকিৎসায় নিম্নমানের মাস্ক, পিপিই ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সরঞ্জামাদি ক্রয়সহ বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ওঠে। এছাড়া, অভিযোগ রয়েছে, সিএমএসডির ৯০০ কোটি টাকার কেনাকাটায় দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে।
গত ১০ জুন দুদক এ বিষয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়।