ঢাকাSaturday , 27 June 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ওয়াসার ড্রেনেজ ব‌্যবস্থাপনা ডিএনসিসির কাছে হস্তান্তরের প্রস্তাব

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা উত্তরের সব খাল ও ড্রেন রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ওয়াসার ড্রেনেজ সার্কেলের বিদ্যমান জনবল, ভৌত অবকাঠামো, আনুষঙ্গিক সব উপকরণসহ খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) কাছে হস্তান্তরের প্রস্তাব দিয়েছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।
শনিবার (২৭ জুন) রাজধানীর কাওলায় সিভিল এভিয়েশন কবরস্থানের পাশে আশকোনা হজ ক্যাম্প থেকে সিভিল এভিয়েশন অফিসার্স কোয়ার্টার হয়ে বনরূপা হাউজিং পর্যন্ত খননকৃত খালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলামের কাছে এ প্রস্তাব দেন।
ডিএনসিসি মেয়র এ খালের পাশাপাশি কুড়িল বিশ্ব রোড থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত সাইকেল লেন তৈরির প্রস্তাবও দেন।
মেয়র বলেন, ‘খালগুলো জেলা প্রশাসনের অধীনে, পানি নির্গমণসহ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ওয়াসার। কিন্তু জনগণের দুর্ভোগের কথা শুনতে হয় সিটি করপোরেশনকে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে মেয়র ও কাউন্সিলরদেরকে জবাবদিহি করতে হয়। কিন্তু ওয়াসাকে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হয় না। এমতাবস্থায় নগরবাসীর ভোগান্তি লাঘবে, ঢাকা ওয়াসার ড্রেনেজ সার্কেলের বিদ্যমান জনবল, যান-যন্ত্রপাতি, আনুষঙ্গিক সকল উপকরণসহ খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করার প্রস্তাব দিচ্ছি।’
মেয়র আরো বলেন, ‘গত ২১ এপ্রিল স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব, ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষকে নিয়ে আমরা আশকোনা হজ ক্যাম্প সংলগ্ন জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শন করি। উত্তরা ৪ নং সেক্টরের একাংশ, কসাইবাড়ি, আশকোনা, কাওলা এলাকার তীব্র জলাবদ্ধতা দূরীকরণে আশকোনা হজ ক্যাম্প হতে বনরূপা আবাসিক এলাকা পর্যন্ত খালটির বিভিন্ন জায়গায় খননের জন্য ঢাকা ওয়াসা ও সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয়, উভয় সংস্থা অপরাগতা প্রকাশ করে। পরবর্তীতে এই এলাকার দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুততম সময়ে কাজটি সম্পাদনের জন্য প্রায় ১ দশমিক ৯০ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি খননের জন্য যৌথভাবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ডিএনসিসি ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
৩০ মে ২০২০ খাল খনন শুরু করে এবং ২৭ জুন ২০২০ খনন সম্পন্ন করে। ডিএনসিসি তার সীমিত জনবল এবং যান-যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে শূন্য দশমিক ১৭ কিলোমিটার এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ১.৭৩ কিলোমিটার খাল খনন করে। খালটি খননের ফলে উত্তরা ৪নং সেক্টরের একাংশ, কসাইবাড়ি, আশকোনা, কাওলাসহ আশেপাশের এলাকার
জলাবদ্ধতা অনেকাংশে দূর হবে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিরুল ইসলাম, ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনিছুর রহমান নাঈম, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর জাকিয়া সুলতানা প্রমুখ।