ঢাকাWednesday , 12 February 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঢাবিতে সান্ধ্যকোর্সে ভর্তি বন্ধ রাখার সুপারিশ

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে পরিচালিত সব ধরনের সান্ধ্যকালীন কোর্সে ভর্তি কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে সুপারিশ করেছে যৌক্তিকতা যাচাই কমিটি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামানের কাছে জমা দেয়া এক প্রতিবেদনে এ সুপারিশ করা হয়েছে।
রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামানের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয় কমিটি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কমিটির একজন সদস্য জানান, সান্ধ্যকোর্স পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করার কথা বলা হয়েছে। সে নীতিমালা না হওয়া পর্যন্ত সব সান্ধ্যকোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে এ ধরনের কোর্স চালু করতে হলেও সেটি অবশ্যই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই করতে হবে বলে প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে।
গত বছরের মে মাসে পাঁচজন ডিনের সমন্বয়ে সান্ধ্যকোর্সের যৌক্তিকতা যাচাইয়ে কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কমিটির আহ্বায়ক করা হয় বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমদ চৌধুরীকে।
অন্য সদস্যরা হলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক সাদেকা হালিম, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবু মো. দেলোয়ার হোসেন, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম ও ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হাসানুজ্জামান।
এর মধ্যে সান্ধ্যকোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি সাময়িক বন্ধের বিষয়ে কমিটির আহ্বায়কসহ চারজন সদস্য একমত পোষণ করলেও ভিন্নমত দিয়েছেন ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডীন শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম।
তিনি বলেছেন, ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ না করে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হোক। পরবর্তীতে সে নীতিমালার আলোকে ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে।
প্রতিবেদন দাখিল প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কমিটির আহ্বায়ক ড. তোফায়েল আহমদ চৌধুরী বলেন, প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্ধ্য কোর্সের বর্তমান চিত্র এবং সে আলোকে কিছু সপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। যেটি এরই মধ্যে উপাচার্যের কাছে জমা দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কমিটি ও পর্ষদ পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।