ঢাকাWednesday , 1 January 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চার দিনের টেস্ট নিয়ে দুই মেরুতে ভন-রমিজ

Link Copied!

স্পোর্টস ডেস্ক : ২০২৩ সালে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে চিরাচরিত পাঁচ দিনের বদলে চার দিনের টেস্টের কথা ভাবছে আইসিসি। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা চাইছে বাধ্যতামূলকভাবে এই পরিবর্তন আনতে। এ নিয়ে দুই মেরুতে দুই সাবেক অধিনায়ক; ইংল্যান্ডের মাইকেল ভন ও পাকিস্তানের রমিজ রাজা।
ভন চান চার দিনের টেস্ট চালু হোক। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফে নিজের কলামে ভন লিখেছেন, ‘দুবছর ধরে আমি বলে আসছি, আমাদের চার দিনের টেস্ট নিয়ে ভাবতে হবে। না হলে টেস্ট ক্রিকেটকে বাঁচানো কঠিন হয়ে যাবে।’
ভন টুইটারে একটি পরিসংখ্যানও উল্লেখ করেছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে, একবিংশ শতাব্দীতে টেস্ট ম্যাচের ফল পেতে গড়ে লেগেছে ৩১৮ ওভার। ২০১৯ সালে ৩৯ টেস্টের মধ্যে মাত্র ১৩টি গড়িয়েছে পঞ্চম দিনে।
দিনে ৯০ ওভার খেলা হওয়ার অর্থ চার দিনে হবে ৩৬০ ওভার। ভনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সাড়ে তিন দিনেই বেশিরভাগ টেস্ট শেষ হয়ে যাচ্ছে।
প্রশ্ন উঠছে, চার দিনের টেস্ট হলে আকর্ষণ কমে যাবে না তো? আবার আবহাওয়ার কারণে মাঝে মাঝেই টেস্ট ম্যাচে সময় নষ্ট হয়। সেক্ষেত্রে চার দিনের টেস্ট হলে আগ্রহ কমে যেতে পারে।
ভন বলেছেন, ‘আমি মানছি, কিছু কিছু টেস্টে শেষ দিনে অনেক নাটক দেখা গিয়েছে। দারুণ সব ইনিংস খেলা হয়েছে ম্যাচ বাঁচানোর জন্য। পাশাপাশি বৃষ্টির আশঙ্কাও আছে। কিন্তু সবকিছু মাথায় রেখেও বলব, বেশিরভাগ টেস্ট এখন চার দিনেই শেষ হয়ে যায়।’
চার দিনে টেস্টের সুবিধাও দেখালেন ভন, ‘একটা টেস্ট ম্যাচকে যদি কাটাছেঁড়া করা হয়, তাহলে দেখা যাবে পঞ্চম দিনে প্রচুর অর্থ খরচ হচ্ছে। ওই অর্থ বাঁচিয়ে যদি ক্রিকেটের স্বার্থে, তৃণমূলে খরচ করা হয়, তাহলে খেলাটারই উন্নতি হবে।’
পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ও বর্তমানে ধারাভাষ্যকার রমিজ রাজা জানিয়েছেন, গত বছর এমসিসির ক্রিকেট কমিটির বৈঠকে নাকি এ নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু সদস্যরা কেউ খুব একটা আগ্রহ দেখাননি। রমিজ বলেছেন, ‘চার দিনের টেস্ট নিয়ে এমসিসির বৈঠকে যে আলোচনা হয়েছিল, সেখানে বেশিরভাগ সদস্যই পাঁচ দিনের টেস্টের পক্ষে।’
রমিজ প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আসল ব্যাপারটা হলো সাদা বলের ক্রিকেটের জন্য ক্রীড়াসূচিতে আরও সময় বের করতে হবে। যে কারণে টেস্ট ক্রিকেটকে ক্ষতি স্বীকার করতে হচ্ছে। সম্পূর্ণ ভুল কারণের জন্য টেস্ট ক্রিকেটকে এভাবে বঞ্চিত করাটা কি ঠিক?’