নরসিংদী সংবাদদাতা : ফের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় ধারাবাহিকভাবে দেশসেরা ফলাফল করেছে নরসিংদীর এনকেএম হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস।
বছরের শেষদিনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে ফলাফল ঘোষণার পর এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিষ্ঠানটি থেকে এ বছর শতভাগ পাসসহ পিইসিতে ৯৮.২৮% ও জেএসসিতে ৯০.৭৬% জিপিএ ৫ পেয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এনকেএম হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে পিইসি ও জেএসসিতে টানা শতভাগ পাসসহ ফলাফলের ভিত্তিতে বোর্ডে স্থান দখল করে নিয়েছে একাধিকবার। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালের পিইসি পরীক্ষায় ৩৫০ শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ৩৪৪ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে। এ ছাড়া জেএসসি পরীক্ষায় ২৪৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ২২৬ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে।
এনকেএম হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও থার্মেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল কাদির মোল্লা বলেন, ‘নরসিংদীতে মানসম্মত ও গুণগত শিক্ষা প্রদানের অঙ্গীকার নিয়ে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটি ভালো ফলাফলের ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রেখেছে। আমি সব সময় চেয়েছি সুশিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মানবসম্পদে পরিণত হোক। আমাদের একঝাঁক তরুণ শিক্ষক-শিক্ষিকার অক্লান্ত পরিশ্রমে এবং শিক্ষার্থীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এবারও ভালো ফলাফল হয়েছে। এর ধারাবাহিকতা রক্ষায় আমার নিরন্তর চেষ্টা আছে, আগেও ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘আজকের এই সাফল্য শুধু এই প্রতিষ্ঠানের একার না। এই সাফল্য পুরো নরসিংদীবাসীর। এরই লক্ষ্যে শুধু আমাদের নিয়ন্ত্রণাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, আমি জেলার সব প্রায় ৩১৫টি স্কুল ও কলেজে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে সাধ্যমতো কাজ করে যাচ্ছি।’
স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. শাহজাহান বলেন, ‘স্কুলের প্রতি ২০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন দিকনির্দেশক শিক্ষক শুধু লেখাপড়া নয়, তাদের খেলাধুলা, স্বাস্থ্য, বিনোদন থেকে শুরু করে সকল ধরনের চাহিদা পূরণে সব সময় শ্রম দিয়ে আসছেন। দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা যদি সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেন, তাহলে সাফল্য অর্জন করা মোটেও কঠিন কিছু না।’
উল্লেখ্য, নরসিংদীতে মানসম্মত শিক্ষা দানের অঙ্গীকার নিয়ে ২০০৮ সালে শহরের ভেলানগর এলাকায় এনকেএম হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ৭০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার সার্বিক তত্ত্বাবধানে কলেজটি কঠোর শৃঙ্খলার মধ্যে দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে স্কুলটির শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩৩০০ জন।

