স্পোর্টস ডেস্ক : ধারাভাষ্যকার হিসেবে ২০১৯ সালটা তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে বছর ছিল বলে জানিয়েছেন সঞ্জয় মাঞ্জরেকার। ইডেনে গোলাপি বলের টেস্টে সতীর্থ ধারাভাষ্যকার হর্ষ ভোগলের প্রতি তার আচরণের জন্য অনুতপ্তও সাবেক এই ভারতীয় ক্রিকেটার।
গত মাসে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে প্রথমবারের মতো দিবারাত্রির টেস্টে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও বাংলাদেশ। সেই টেস্টে ধারাভাষ্য দেওয়ার সময় ভোগলের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন মাঞ্জরেকার। ভোগলের ক্রিকেটজ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচিতও হয়েছিলেন মাঞ্জরেকার।
সেই আচরণ নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন মাঞ্জরেকার। নিজের ভুল স্বীকার করে তিনি বলছেন, ভোগলের প্রতি তার আচরণটা ছিল ‘অপেশাদার’ ও ‘অশোভন’।
ইএসপিএন-ক্রিকইনফোকে মাঞ্জরেকার বলেন, ‘ওই বিশেষ মন্তব্যের সময় আমি নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলাম। অপেশাদারের মতো কাজ করেছিলাম। ভুল করেছিলাম। আর এটার জন্য আমি অনুতপ্ত। কষ্টের ব্যাপার হলো নিজের আবেগের দ্বারা চালিত হয়েছিলাম আমি। যা একেবারেই অপেশাদারিত্ব, কিছু ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অশোভনও।’
নিজের ভুল বুঝতে পেরে টেস্টে সরাসরি সম্প্রচারের দায়িত্বে থাকা প্রযোজকের কাছে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন মাঞ্জরেকার, ‘ভুল করেছি বুঝতে পেরেই আমি প্রযোজকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলাম। কারণ কাজটা করা ঠিক হয়নি।’
ভারতের হয়ে ৩৭ টেস্ট ও ৭৪ ওয়ানডে খেলা মাঞ্জরেকার ধারাভাষ্যকার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন নম্বইয়ের দশকে। ২০১৯ সালকে তিনি সবচেয়ে বাজে বছর হিসেবে উল্লেখ করেছেন, ‘আমি এই পেশাটা শুরু করেছিলাম ১৯৯৭-৯৮ সালে। ২০-২১ বছর হয়ে গেল। একজন ক্রিকেট বিশ্লেষক ও ধারাভাষ্যকার হিসেবে ২০১৯ সালটা আমার জন্য সবচেয়ে বাজে বছর।’

