ঢাকাThursday , 19 December 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

১৭ বছর আর ৫০ ম্যাচ পর এল ক্লাসিকোতে এমন ড্র

Link Copied!

স্পোর্টস ডেস্ক : উত্তাপ ছড়ানো এল ক্লাসিকো গোলশূন্য ড্রয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। বুধবার রাতে বার্সেলোনার মাঠ ন্যু ক্যাম্পে অনুষ্ঠিত মৌসুমের প্রথম এবং দশকের শেষ এল ক্লাসিকোতে কেউ জেতেনি।
বছরের হিসেবে ১৭ বছর পর এমন গোলশূন্য ড্র প্রথম দেখলো ফুটবল বিশ্ব। আর ম্যাচের হিসেবে ৫০ ম্যাচ পর। সবশেষ ২০০২ সালের নভেম্বরে ফুটবলপ্রেমীরা এল ক্লাসিকোতে এমন গোলশূন্য ড্র দেখেছিল।
এই ড্রয়ের ফলে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকা বার্সেলোনার পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান অক্ষুন্ন থাকল। ১৭ ম্যাচ থেকে ৩৬ পয়েন্ট সংগ্রহ করে তারা রয়েছে লা লিগার পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। সমান ম্যাচ থেকে সমান পয়েন্ট নিয়ে রিয়াল রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। বার্সার গোল +২৩। রিয়ালের +২১।
অবশ্য বুধবার রাতে রিয়াল মাদ্রিদ যেভাবে প্রভাব বিস্তার করে খেলেছে তাতে জয় নিয়ে ফেরা উচিত ছিল ন্যু ক্যাম্প থেকে। সেটা হলে পুরো ৩ পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান দখলে নিতে পারত।
বেল তো একবার বল জালেও জড়িয়ে দিয়েছিলেন। তিনি নিজে অফসাইড না হলেও তাকে বল দেওয়ার সময় অফসাইডের দোষে দুষ্ট হন ফারলানন্ডমেন্ডি। তাতে বাতিল হয় গোলটি। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় ম্যাচটি।
বুধবার রাতে ম্যাচের ১৭ মিনিটে কাসেমিরোর নিশ্চিত গোল রুখে দেন বার্সেলোনার জেরার্ড পিকে। এ সময় কাসেমিরোর নেওয়া হেড কাতালান গোলরক্ষক আন্দ্রে টার স্টেগানকে পরাস্ত করলেও পেছনে দাঁড়িয়ে যান পিকে। তিনি গোললাইনের উপর থেকে হেড দিয়ে ক্লিয়ার করেন বল।
একইভাবে ৩১ মিনিটে লিওনেল মেসির নিশ্চিত গোল রুখে দেন রিয়ালের অধিনায়ক সার্জিও রামোস। এ সময় রিবাউন্ডে মেসির নেওয়া বুলেট গতির শট পা দিয়ে ফিরিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন রামোস। রিয়াল রক্ষা পায় নিশ্চিত গোল হজমের হাত থেকে।
৭৩ মিনিটে গ্যারেথ বেল তো জালে বল পাঠিয়েও দিয়েছিলেন। কিন্তু অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়।
ন্যু ক্যাম্পে বল দখল ছাড়া বাকি সব দিকেই এগিয়ে ছিল রিয়াল। ৫২.৩ শতাংশ বলের দখল ছিল বার্সার কাছে। রিয়ালের ছিল ৪৭.৭ শতাংশ। রিয়াল ১১টা শট নিয়েছিল গোলপোস্টে। তার মধ্যে ৪টি ছিল গোলমুখে। অন্যদিকে বার্সেলোনা ৫টি শট নিয়েছিল গোলপোস্টে। গোলমুখে ছিল মাত্র ২টি।
রিয়াল কর্নার কিক পেয়েছিল ৬টি। তার মধ্যে ৪টিই পেয়েছিল প্রথমার্ধে। বার্সেলোনা পেয়েছিল ২টি। বক্সের মধ্যে রিয়াল ক্রস দিয়েছিল ৩২টি। বার্সা ৮টি। পাসিংয়ের ক্ষেত্রেও বার্সার চেয়ে এগিয়ে ছিল রিয়াল। লস ব্লাঙ্কোসরা ৮৮.৩ শতাংশ পাস সম্পন্ন করেছে। কাতালানরা করেছে ৮৭.২ শতাংশ।
আর বল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রেও সফরকারীরা এগিয়ে ছিল। মেসি-সুয়ারেজরা ৫১ বার বল পুনরুদ্ধার করে। পক্ষান্তরে রামোস-বেনজেমারা ৫৫ বার বল পুনরুদ্ধার করে। এতো কিছুতে এগিয়ে থেকেও কাঙ্খিত জয়টাই অধরা থাকল জিনেদিন জিদানের শিষ্যদের।