ঢাকাMonday , 25 November 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শাবি শিক্ষার্থীদের ২৫ দফা দাবি

Link Copied!

শাবি সংবাদদাতা : ২৫ দফা দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) শিক্ষার্থীরা।
রোববার সন্ধ্যা থেকে ‘মুক্তির গান’ শিরোনামে তৃতীয় দিনের মত বিশ্ববিদ্যালয় ক‌্যাম্পাসে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা।
এদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চ হতে শিক্ষার্থীরা মশাল মিছিল বের করে। ক‌্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে শেষ হয় মিছিলটি। ‘শিক্ষার্থীবান্ধব শাবিপ্রবি চাই’ নামক মঞ্চের উদ্যোগে ক‌্যাম্পাসে মশাল মিছিলের পাশাপাশি গোলচত্বরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।
এসময় তারা ‘প্রশাসনের প্রহসন মানিনা, মানব না’, ‘আমাদের ধমনীতে নূর হোসেনের রক্ত’, ‘স্বৈরাচার যেখানে লড়াই হবে সেখানে’, ‘স্বেচ্ছাচারের একজবাব প্রতিরোধ প্রতিবাদ’ সহ বিভিন্ন শ্লোগান দেয়।
এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে প্রতিবাদী গানের মাধ্যমে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা।
এসময় শিক্ষার্থীরা মেয়েদের বাইরের হলে উচ্চ ভাড়া, ছুটির অজুহাতে হল বন্ধ রাখা, খাবারের মূল্যবৃদ্ধি, সন্ধ্যার পর ক‌্যাম্পাসের সব দোকান বন্ধ রাখা, বিভিন্ন র‌্যাগডে ও ডিপার্টমেন্টাল ওরিয়েন্টেশন-সহ বিভিন্ন প্রোগ্রামের অনুমতি না দেয়া, গ্রাফিতি-রোড পেইন্টিংয়ের মতো সৃজনশীল কর্মসূচি বন্ধ রাখাসহ মোট ২৫টি দাবি তুলে ধরেন।
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘যেকোনো সিদ্ধান্তে প্রশাসনের স্বেচ্ছাচারীতার কারণে দিনদিন ছাত্রদের অধিকার খর্ব হচ্ছে। বিভিন্ন বিধি নিষেধের কারণে বিকাল ৫টার পরে ক‌্যাম্পাস আর জমজমাট থাকে না। যার ফলে ক‌্যাম্পাসে দিন দিন ছিনতাইকারীর উপদ্রব বেড়েই চলেছে।’
প্রশাসনের হল বন্ধের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত দ্রুত বাতিলের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ জানুয়ারির সমাবর্তন উপলক্ষে শীতকালীন ছুটি পিছিয়ে ৫ থেকে ১৬ জানুয়ারি করে সিন্ডিকেট।
উল্লেখ্য, গত বুধবার হল খোলা রাখার দাবিতে মানববন্ধনে ‘অনুমতি’ না নেয়ার অজুহাতে বাধা দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদ। এসময় শিক্ষার্থীদের সাথে উচ্চস্বরে কথা বলার পাশাপাশি এক শিক্ষার্থীর ফোন জব্দ করে নেন তিনি।
পরদিন বৃস্পতিবার প্রক্টরের এই আচরণকে অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী আখ্যায়িত করে পুনরায় বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।