ঢাকাThursday , 10 October 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাংশা পৌর ভূমি অফিসে ঘুষের রমরমা বাণিজ্য
নাটের গুরু আক্কাচ আলী

Link Copied!

পাংশা (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি : ঘুষ দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে পাংশা উপজেলা ভূমি অফিস। প্রধান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক বাবুল চন্দ্র সরকার এবং পৌর ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. আক্কাচ আলীর বিরুদ্ধে ঘুষের রমরমা বাণিজ্যে অভিযোগ উঠেছে। এখানে ঘুষ স্বাভাবিক ঘটনা। এ অফিসে নথি এলে তা আটকে মোটা অংকের ঘুষ দাবি করা হয়। চাহিদা অনুযারী ঘুষ না পেলেই বাতিল হয়ে যায় নথি। অনুসন্ধানে বাতিল হয়েছে অথবা আটকে আছে এমন একাধিক নথির খোঁজ মিলেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই নথি আটকে মোটা অংকের ঘুষ বাণিজ্য হয়েছে। আর এর সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার বিষয়ে বাবুল চন্দ্র সরকার এবং আক্কাচ আলীর নাম এসেছে। ভুক্তভোগীর সঙ্গে আলাপে জানা যায়, আক্কাচ আলীর এবং বাবুল চন্দ্র সরকার এর পরিচিত একাধিক দালাল আছে। সেবা প্রার্থীদের কথায় কথায় নথি আটকে দেওয়ার হুমকি দেন। আরেক ভুক্তভোগী মো. জয়নাল মিয়া ও বক্কর মিয়া জানান, পাংশা ইউনিয়নে ভূমি অফিসে নামজারির করার জন্য আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সংযুক্ত করেন। তার কয়েক মাস পরে আক্কাচ আলী বলেন, এই জমি সরকারের নিলাম জমি। এর নামজারি করতে ৫ লক্ষ টাকা লাগবে। এক পর্যায়ে জয়নাল গং রাজি হলে প্রথম ধাপে ২ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন আক্কাচ আলী। তার কিছুদিন পরে আরও ২ লক্ষ টাকা নেন। এর কয়েক মাস পর আক্কাচ আলী বলেন, আপনাদের নথি পাংশা উপজেলা ভূমি অফিসে পাঠিয়ে দিয়েছি। তারও কিছুদিন পরে বলেন, আপনাদের সরকারি ভলিউমের ফটোকপি লাগবে। এই ভলিউম থাকে এসিল্যান্ড অফিসে, সেখান থেকে নিয়ে আসেন। আমি নামজারি করে দিবো। জয়নাল ও বক্কর এসিল্যান্ড অফিসে গেলে বাবুল চন্দ্র সরকার বলেন, ১ লক্ষ টাকা লাগবে। একপর্যায়ে ১ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ফটোকপি নিয়ে আক্কাচ আলীর কাছে জমা দিয়েছেন। এরপরেও আক্কাচ আলী নামজারি ঘুরাতে থাকে। আজ না কাল, দিবো দিচ্ছি বলে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে। এ বিষয় নিয়ে ভুক্তভোগীরা গত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের নিকট ন্যায় বিচারের জন্য আবেদন করেন। প্রতিবেদককে আক্কাচ আলী এবং বক্কর একটি মোবাইল ফোনের অডিও রের্কড দেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আক্কাচ আলী ও বাবুল চন্দ্র সরকার বলেন, আমি কোন ধরনের ঘুষ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নই, নথি আটকে রেখে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন। অডিও রেকর্ড বানোয়াট ও ভুয়া। এ বিষয় জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদীয়া শাহনাজ খানম বলেন, আমি বিষয়টি সম্পর্কে কিছু জানিনা। আমাদের উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম স্যার বিষয়টি জানেন। রফিকুল ইসলাম দেশের বাইরে থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।