ঢাকাSaturday , 3 August 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বান্দরবানে ব্রিজ নির্মাণে ধীরগতি, স্থানীয়দের দুর্ভোগ

Link Copied!

বান্দরবান প্রতিনিধি : বান্দরবানের রেইচা-গোয়ালিয়াখোলা এলাকায় সাঙ্গু নদীর ওপর গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলছে ধীরগতিতে, ফলে ভোগান্তিতে রয়েছে এলাকাবাসী।
সূত্রে জানা গেছে, বান্দরবান সদরের রেইচা-গোয়ালিয়াখোলা এলাকায় সাঙ্গু নদীর ওপর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্ততরের অধীনে বাস্তবায়ন চলছে গার্ডার ব্রীজটির নির্মাণ কাজ। সাধারণ জনগণের দাবির মুখে রেইচা-গোয়ালিয়াখোলা ও চট্টগ্রামের চন্দনাইশ ইউনিয়নের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষে ২০১৬ সালের ১২ই মে ব্রিজটির ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।
আরো জানা গেছে, এই ব্রীজ নির্মাণ হলে সাঙ্গু নদীর দু’পাড়ের প্রায় ৩ হাজার পরিবারের যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়নসহ কৃষি পণ্য আমদানি-রপ্তানি এবং বর্ষা মৌসুমে যাতায়াত সহজতর হবে বলে আশা স্থানীয়দের। কার্যাদেশ অনুযায়ী দেড় বছরের মধ্যেই ব্রিজ নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও কয়েক দফা মেয়াদ বাড়ানো হলে ও ব্রিজের অর্ধেক কাজও শেষ করতে পারেনি ঠিকাদার,আর এতে চরম ভোগান্তীতে রয়েছে সাংগু নদীর দু’পাড়ের বাসিন্দারা।
গোয়ালিয়াখোলা এলাকার বাসিন্দা মো:নাছির উদ্দিন বলেন, এই ব্রীজ নির্মাণ হলে আমাদের অনেক কষ্ট কমে যাবে। এখন নৌকায় করে এপার ওপার পার হতে হয়। বর্ষাকাল আসলে নৌকাও চলে না ,আমাদের ভোগান্তীর শেষ থাকে না।
সাঙ্গু নদীর উপর ২শ’ ২০মিটার পিসি গার্ডার ব্রিজের কার্যাদেশ পায় শেখ হেমায়ত আলী এন্ড ইউ টি মং (জেভি) প্রতিষ্ঠান। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন গার্ডার ব্রিজটির বরাদ্ধ ধরা হয়েছিল ১২ কোটি ৬১ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। অথচ সাড়ে তিন বছর পার হয়ে গেলেও ঠিকাদারের উদাসীনতায় ব্রিজের অর্ধেক কাজ শেষ না হলে ও ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের দাবি আগামী বছরের মধ্যে এই ব্রীজের নির্মাণ কাজ শেষ হতে পারে।
নদীর ঘাট মাঝি মো: লোকমান হাকিম বলেন,এই ব্রীজ না হওয়ায় আমরা প্রচুর কষ্ট পাচ্ছি। হবে হবে বলে প্রায় তিন চার বছর শেষ হল, কখন কাজ শেষ হয় জানি না।
শেখ হেমায়ত আলী এন্ড ইউ টি মং কনস্ট্রাশন এর সাইট ইঞ্জিনিয়ার আরমান হোসেন বলেন,আমাদের ব্রীজের প্রায় ৬৫% কাজ শেষ হয়েছে, আগামী ২০ সালের শেষ দিকে এই ব্রীজের কাজ শেষ করা যেতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি কালক্ষেপন না করে দ্রুত এই ব্রিজ নির্মাণ কাজ শেষ করা হোক আর এই ব্রীজ নির্মাণ হলে হলে দু’পারের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিসহ এলাকার আমূল পরিবর্তণ ঘটবে,কমবে কয়েকটি গ্রামের দূরত্ব আর ব্রিজ কেন্দ্রিক বাড়বে ব্যবসা বাণিজ্য উন্নয়ন হবে যোগাযোগ ব্যবস্থার।