স্পোর্টস ডেস্ক : প্রথমে ব্যাট হাতে একাই লড়লেন বিরাট কোহলি। তুলে নিলেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৪০তম সেঞ্চুরি। তার সেঞ্চুরিতে ভর করে ভারত টেনেটুনে পেল ২৫০ রানের লড়াকু সংগ্রহ। এরপর বল হাতে জাসপ্রিত বুমরাহ ছিলেন ভীষণ কৃপণ।
অনুদার এই বোলার ১০ ওভার বল করে ২.৯০ ইকোনোমি রেটে দিয়েছেন মাত্র ২৯ রান। শেষ দিকে তার কিপটে বোলিংয়ে শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া হার মেনেছে ৮ রানে। ৪৯.৩ ওভারে অলআউট হয়েছে ২৪২ রানে। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ভারত লিড নিয়েছে ২-০ ব্যবধানে।
মঙ্গলবার নাগপুরে ভারত প্রথমে ব্যাট করতে নামে। অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্স ও অ্যাডাম জাম্পার বোলিং তোপে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা। সেখানে ব্যতিক্রম হয়ে দাঁড়ান কোহলি। ১ ওভারের মাথায় ওয়ান ডাউনে ব্যাট করতে নেমে ৪৭.১ ওভার পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন। ১২০ বল খেলে ১০ চারে করেন ১১৬ রান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন বিজয় শঙ্কর। ২১টি করে রান করেন শিখর ধাওয়ান ও রবীন্দ্র জাদেজা। তাতে ৪৮.২ ওভারে ২৫০ রানে অলআউট হয় ভারত।
কামিন্স ৯ ওভার বল করে ২ মেডেনসহ ২৯ রান দিয়ে নেন ৪টি উইকেট। জাম্পা নেন ২টি।
২৫১ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে অ্যারোন ফিঞ্চ ও উমসান খাজা ১৪.৩ ওভারে তোলেন ৮৩ রান। তবে মুদ্রার ওপিঠ দেখতে বেশি সময় লাগেনি অস্ট্রেলিয়ার। এই জুটি ভাঙার পর অস্ট্রেলিয়ার রান তোলার গড় স্লো হয়ে যায়। আর সেটাকে আরো স্লো করে দেন জাসপ্রিত বুমরাত।
প্রথম ৪ ওভারে ২০ রান দেওয়া বুমরাহ শেষ ৬ ওভারে দেন মাত্র ৯ রান। ২৮তম ওভারে এসে দেন ১ রান। ৩০ তম ওভারে আবারো দেন ১ রান। ৪০তম ওভারে এসে দেন ৩ রান। ৪২তম ওভারে দেন আরো ৩ রান। ৪৬তম ওভারে মাত্র ১ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট! ৪৮তম ওভারে দেন ১ রান। তার করা ৬০টি বলের ৪৪টিতে কোনো রান নিতে পারেনি অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানরা। কোনো ছক্কাও হাঁকাতে পারেনি। ৩টি চার হয়। ওয়াইড দেন ২টি।
তার এমন অনুদার বোলিংয়ে ৪৯.৩ ওভারে ২৪২ রানে অলআউট হয়ে যায় অজিরা। ব্যাট হাতে অস্ট্রেলিয়ার মার্কাস স্টয়েনিস সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন। ৪৮ রান করেন পিটার হ্যান্ডসকম। খাজা ৩৮ ও ফিঞ্চ করেন ৩৭। বল হাতে ভারতের কুলদীপ যাদব ৩টি উইকেট নেন। ২টি করে উইকেট নেন বুমরাহ ও বিজয় শঙ্কর।
ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন বিরাট কোহলি।

