ঢাকাSaturday , 26 May 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আয়ারল্যান্ডে গর্ভপাত নিয়ে গণভোটের ফল আজ

Link Copied!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আয়ারল্যান্ডের সংবিধান অনুযায়ী যে কোনও অবস্থায় গর্ভপাত নিষিদ্ধ। দেশটির সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীতে এ ধারাটি যুক্ত করা হয়।
১৯৯২ সালে ধর্ষণের শিকার হওয়া এক তরুণী গর্ভবতী হয়ে পড়লেও তাকে গর্ভপাতের অনুমতি দেয়া হয়নি, পরে তিনি আত্মহত্যা করেন। এরপর ২০১৪ সালে আরেক গর্ভবতী নারীর মস্তিষ্কের মৃত্যুর পরও তাকে হাসপাতালে কৃত্তিম উপায়ে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছিল৷ যাতে তার গর্ভের সন্তানের মৃত্যু না হয়।
বিভিন্ন সময় এমন বিতর্কিত ঘটনার পর দেশটিতে গর্ভপাত আইন সংশোধনের দাবি উঠেছে। তারই প্রেক্ষিতে শুক্রবার গর্ভপাত আইন শিথিল হবে নাকি আগের মতোই কঠোর থাকবে সে বিষয়ে দেশব্যাপী গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারীভাবে ভোট গণনা শুরু না হলেও গনভোটে গর্ভপাত আইন শিথিল করার পক্ষেই ভোট দিয়েছেন বেশিরভাগ আইরিশ। এমনটাই দাবি করেছে স্থানীয় গণমাধ্যম দ্য আইরিশ টাইমস ও আরটিই।
গণমাধ্যম দুটি জানিয়েছে, গর্ভপাত আইন শিথিল করার পক্ষে ভোট পড়েছে ৬৯.৪ শতাংশ। আর গর্ভপাত আইন আগের মতো রাখতে ভোট দিয়েছে ৩০.৬ শতাংশ আইরিশ।
শনিবার স্থানীয় সময় সকাল নয়টায় (বাংলাদেশ সময় বেলা দুইটায়) শুরু হবে ভোট গণনা। তারপরই বলা যাবে দেশটির গর্ভপাত আইনের বিষয়ে কি জানিয়েছেন দেশটির সাধারণ নাগরিকরা।
গর্ভপাত আইনের শিথিলতায় বলা হচ্ছে- ধর্ষণের ফলে অবাঞ্ছিত গর্ভধারণ, গর্ভে থাকা শিশুর জন্মের পর মৃত্যুর আশঙ্কা ইত্যাদি কারণে গর্ভপাতকে বৈধতা দেয়া যায়।
আয়ারল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাইমন হ্যারিস এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখা করে বলেছেন, `প্রতিদিন নয় জন আইরিশ মহিলা যুক্তরাষ্ট্রে যান ভ্রূণের পরিসমাপ্তি ঘটাতে৷ অন্যদিকে কমপক্ষে তিনজন আইরিশ মহিলা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধ খেয়ে গর্ভের ভ্রূণকে নষ্ট করার চেষ্টা করেন৷ এমন স্পর্শকাতর বিষয়ে আইনি রূপরেখা থাকা দরকার৷’
গর্ভপাত বিরোধী গোষ্ঠীর আইনজীবী ক্যারোলিন সিমন্স বলেন, `অষ্টম সংশোধনী একজন চিকিৎসককে গর্ভস্থ শিশুর প্রাণ কাড়তে বাধা দেয় এবং এই কারণেই আমরা এর পক্ষে ভোট দিয়েছি৷’ তবে সর্বশেষ কি সিদ্ধান্ত নেয়া হবে তা জানা যাবে ভোটের ফলাফল প্রাপ্তির পরই।