ঢাকাSaturday , 20 December 2014
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দুটো দল মানেই যখন বিতর্ক!

Link Copied!

isl-final-স্পোর্টস ডেস্ক : শনিবার মুম্বাইয়ের ডি ওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ফাইনালে (আইএসএল) শচীন টেন্ডুলকারের কেরালা ব্লাস্টার্সের মুখোমুখি হচ্ছে সৌরভ গাঙ্গুলির অ্যাটলেটিকো কলকাতা। কিন্তু শিরোপা লড়াইয়ে নামার আগে উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর অবস্থানে প্রতিপক্ষ দল দুটি। একটি দল চরম অঅনুমেয়, আরেকটি দল কিছুটা নখদন্ত্যহীন। তবে এই দল দুটির একটি মৌলিক মিল হলো গ্রুপ পর্বে দুটি দলই ছিল বিতর্কের কেন্দ্রে।
অ্যাটলেটিকো কলকাতা:
লুইস গার্সিয়া বনাম অ্যান্টোনিও হাবাস:
স্পেনের বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলার লুইস গার্সিয়াকে ম্যাচের পর ম্যাচ পুরো সময় না খেলানো নিয়ে ঝামেলা বাধে কোচ হাবাস ও গার্সিয়ার। পরিস্থিতি এতোটাই খারাপ পর্যায়ে যায় যে আলাদাভাবে অনুশীলন করতে কলকাতার অধিনায়ক। পরে টিম ম্যানেজম্যান্টের সহায়তায় পরিস্থিতি কিছুটা ঠাণ্ডা হয়, কিন্তু পুরোটাই উবে যায়নি।
কোচের রক্ষণশীল মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন:
জয়ের জন্য পরিকল্পনা না সাজিয়ে ড্রয়ের জন্যই ঝাঁপান হাবাস। কলকাতা আইএসএলের প্রথম তিন ম্যাচ জিতে চমক দেখালেও পরে কোচের অতি রক্ষণাত্মক নীতিতে কক্ষচ্যুত হয়। ফলে সৌরভের দলের সেমি ফাইনাল কিংবা ফাইনাল খেলা নিয়ে সংশয় ছিল। তাছাড়া অতিরিক্ত বিদেশি-প্রীতির জন্য বাঙালি খেলোয়াড়দের মধ্যেও অসন্তোষ দেখা দিয়েছিল।
ফিকরু বনাম হাবাস:
শুরুতে গোলের মধ্যে থাকা ইথিওপিয়ান স্ট্রাইকারকে নিয়ে দারুণ খুশি ছিলেন হাবাস। কিন্তু ধীরে ধীরে যখন ছন্দ হারিয়েছেন ফিকরু, আর তার পাশ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন কোচ। শেষ দিকে কোচ ও ফুটবলার দ্বন্দ্ব এতোটাই প্রকট আকার ধারন করে যে ফিকরুকে ফাইনালের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগেই দল থেকে বিদায় নিতে হয়।
বেশি না জেতা:
লিগে ১৪ ম্যাচে মাত্র ৪টি জয়।
কেরালা ব্লাস্টার্স:
ডেভিড জেমস বনাম জেমস মরগান:
কোচ কাম ফুটবলার ও সহকারি কোচের ঝামেলায় এক সময় দু ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছিল কেরালা দল। প্রভাব পড়েছিল পারফরম্যান্সেও। মরগ্যানের দিকে মেহতাব হোসেন থেকে পেন ওর্জি- তার কোচিংয়ে খেলা সব ফুটবলারই চলে যায়। জেমসের দিকে বাকিরা। এই ঝামেলা শুরুতে প্রভাব ফেলেছিল দলে। বাধ্য হয়ে জেমস সেসময় দলের মালিক শচীন টেন্ডুলকারের সঙ্গে কথাও বলেন। তবে ঝামেলা মিটে যেতেই ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরে কেরালা ব্লাস্টার্স।
কোচের নিজের খেলার প্রবণতা:
কোচ কাম ফুটবলার হিসেবে পা রেখে ফুটবলার জেমসের ওপরেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন জেমস। যা দলে নয়া বিতর্ক তৈরি করে। বিশেষ করে কেরালা ব্লাস্টার্সের মরগ্যান শিবির এটা মেনে নিতে পারছিল না। এরপর সমস্যার সমাধানে নিজের খেলোয়াড় সত্ত্বাকে বিসর্জন দেন জেমস। একাদশে সুযোগ পান সন্দ্বীপ নন্দীরা।
বেশি না জেতা:
লিগে ১৪ ম্যাচে মাত্র ৫ জয় কেরালার।