আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দেশের ভেতরে যখন একের পর এক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে তখন এশিয়ায় লম্বা সফর শুরু করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া ১৪ দিনের এ সফরে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন , ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইনে যাবেন ট্রাম্প।
গত ২৫ বছরের মধ্যে এটাই কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের লম্বা সফর। এর আগে ১৯৯১ সালের শেষে এবং ১৯৯২ সালের শুরুতে দীর্ঘদিন এশিয়াতে থাকতে হয়েছিল প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশকে। জাপান সফরের সময় রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে অসুস্থ হয়ে পড়ায় বাধ্য হয়েই তাকে সেখানে থাকতে হয়।
গত বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণার সময় ট্রাম্প শিবিরের রুশ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের তদন্ত ইতিমধ্যে জোরেশোরে চালিয়ে যাচ্ছে গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। ট্রাম্পের প্রচারণা শিবিরের সাবেক ম্যানেজার পল মানাফোর্টকে রোববার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। রাজনৈতিকভাবে এই ইস্যুতে বেশ চাপের মধ্যে রয়েছেন ট্রাম্প। এরই মধ্যে বুধবার নিউ ইয়র্কের লোয়ার ম্যানহাটানে একটি সাইকেল চালানোর রাস্তায় ট্রাক উঠিয়ে আটজনকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার এই ইস্যুসহ উত্তর কোরিয়া ইস্যুতেও খানিকটা চাপের মধ্যে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। গত মার্চে নতুন স্বাস্থ্যনীতি গ্রহণে ব্যর্থতার পর কর ব্যবস্থা সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছিলেন ট্রাম্প। এ সংক্রান্ত বিল চলতি মাসে কংগ্রেসে উত্থাপন করার কথা। ডেমোক্রেটরা এই বিলে সমর্থণ দেবেন কিনা তা নিয়েও সংশয়ে রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
ট্রাম্প প্রশাসনের একজন বহিঃ উপদেষ্টা বলেছেন, ‘এটা অনেক লম্বা সফর এবং কংগ্রেসে তার বিলের যে এজেন্ডা রয়েছে এর মাধ্যমে সেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিতে আরো ক্ষতি হবে।
তিনি বলেন, ‘এশিয়া সফরের মাধ্যমে কর কমানোর এজেন্ডায় অতিরিক্ত কিছু যুক্ত করবে না বা তার পুনঃনির্বাচন চেষ্টায় সহযোগিতা করবে না।’
তবে হোয়াইট হাউজ দাবি করেছে ট্রাম্প যেখানেই থাকুন না কেন তিনি একাধিক বিষয়ে মনোযোগ দিতে পারেন।

