ঢাকাSunday , 29 October 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টায় ১১ জনের যাবজ্জীবন

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় ১১ জনকে ২০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া একজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রোববার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জাহিদুল কবির এ রায় ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা আরেক মামলার রায় ঘোষণা করার কথা বিকেলে।
হত্যাচেষ্টা মামলার ১২ আসামির মধ্যে ১১ জনকে দুটি ধারায় দশ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। দুটি সাজা পর্যায়ক্রমে খাটতে হবে বলে আসামিদের জেলে থাকতে হবে ২০ বছর করে। সে সঙ্গে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে তাদের। এ অর্থ দিতে না পারলে আরও ছয় মাস জেলে থাকতে হবে।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-পলাতক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুর রশীদ, জাফর আহম্মদ ওরফে মানিক, হুমায়ুন কবির ওরফে হুমায়ুন, কারাগারে থাকা গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, মো. সোহেল ওরফে ফ্রিডম সোহেল, জর্জ মিয়া, মো. শাজাহান বালু, নাজমুল মাকসুদ ওরফে মুরাদ, জামিনে থাকা, মিজানুর রহমান, খন্দকার আমিরুল ইসলাম ওরফে কাজল ও গাজী ইমাম হোসেন।
আসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মো. হুমায়ুন কবীর ওরফে কবিরকে খালাস দিয়েছেন আদালত। এর আগে গত ১৬ অক্টোবর রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে বিচারক রায়ের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন।
প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। ঘটনার সময় তিনি ওই বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। ওই ঘটনায় বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা দায়ের করেন।
ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিত গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং হামলাকারীরা তখন ‘কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়।
মামলাটি তদন্ত করে ১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচারকাজ শুরু হয়।