আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন বলেছেন, কাতার সংকট নিরসনে সরাসরি সংলাপ শুরু করতে আগ্রহী নয় সৌদি আরব। কাতারের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপকারী উপসাগরীয় চার দেশের আচারণ নিয়ে কাতারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহিম আল থানি হতাশা ব্যক্ত করার পর টিলারসন এ কথা বলেন।
উপসাগরীয় কূটনৈতিক সংকট নিরসনের প্রচেষ্টায় মধ্যপ্রাচ্য সফর করছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি সৌদি আরব সফর করে রোববার কাতারে গিয়ে এ ইস্যুতে আলোচনা করেন। কাতারের রাজধানী দোহায় কাতারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আল-থানির সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে টিলারসন বলেন, তিনি আশাহত, কারণ সংকট সমাধানে সৌদি আরব সরাসরি আলোচনা করতে আগ্রহী নয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘(সৌদি) ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে আমার বৈঠকে আমি তাকে সংলাপে বসার অনুরোধ করি কিন্তু আমি স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত পাইনি যে, তারা এখন পর্যন্ত আলোচনায় প্রস্তুত।’ তিনি আরো বলেন, ‘যারা প্রস্তুত নয়, আমরা তাদের ওপর আলোচনা চাপিয়ে দিতে পারি না।’
সন্ত্রাসে অর্থায়ন ও মদদের অভিযোগে ৫ জুন কাতারের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করে ধনী ও প্রভাবশালী উপসাগরীয় চার দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর ও বাহরাইন। কাতারের বিরুদ্ধে ইরানকে সহযোগিতার অভিযোগও তুলেছে তারা। কিন্তু সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে দোহা।
কাতারের আমির শেখ মোহাম্মদ তামিম বিন হামাদ আল-থানির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন টিলারসন। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় এই সংকটের প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের এই শীর্ষ কূটনীতিক।
উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থার (জিসিসি) উদ্দেশ্যে টিলারসন বলেন, ‘ঐক্য ধরে রাখা জিসিসির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’ জিসিসি-ভুক্ত দেশগুলো হলো : কাতার, বাহরাইন, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও সৌদি আরব। কাতার নিয়ে বিদ্যমান সংকট সমাধানে সংলাপে বসার জন্য সব দেশের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

