নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০১৫ সালের ১৫ জুলাই চট্টগ্রামে দক্ষিণ আফ্রিকার হাশিম আমলাকে আউট করে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ২০০ উইকেটের স্বাদ পান সাকিব আল হাসান। ১৫৬ ম্যাচে সাকিব ২০০ উইকেট তুলে নেন। ২০০ উইকেট নেওয়ার আগেই ব্যাট হাতে ৪ হাজার রান পূর্ণ করেন। সেটাও ওই বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৪২তম ম্যাচে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একাধিক রেকর্ড গড়া সাকিব ২০০ উইকেট নিয়ে ওয়ানডে অলরাউন্ডারদের আরেকটি অভিজাত ক্লাবের সদস্যও হয়েছিলেন সেই ম্যাচে। ৪০০০ রান ও ২০০ উইকেটের ‘ডাবল’ ওয়ানডেতে ছিল শুধু ছয়জন ক্রিকেটারের। সাকিব সপ্তম ক্রিকেটার হিসেবে ওই ক্লাবে প্রবেশ করেন। কিন্তু সবচেয়ে কম ম্যাচ খেলে সাকিব ঢুকেছিলেন ওই ক্লাবে। ৪০০০ রান ও ২০০ উইকেট পেতে সাকিবের লেগেছিল ১৫৬ ম্যাচ। সেখানে ৪৮ ম্যাচ বেশি খেলে একই ক্লাবে প্রবেশ করেন পাকিস্তানের আব্দুর রাজ্জাক। এরপর রয়েছেন ক্রিস ক্রেইন্স (২১৩), জ্যাক ক্যালিস (২২১), সনাৎ জয়াসুরিয়া (২৩৫), শহীদ আফ্রিদি (২৩৮) ও ক্রিস হ্যারিস (২৪৪)।
দ্রুততম ৪০০০ রান ও ২০০ রানের রেকর্ড গড়া সাকিবের সামনে এবার আরেকটি রেকর্ডের হাতছানি। দ্রুততম ৫০০০ রান ও ২০০ উইকেটের রেকর্ড গড়ার অপেক্ষায় বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। ওয়ানডেতে সাকিবের উইকেট-সংখ্যা ২২৪। ব্যাট হাতে রান করেছেন ৪৯৮৩। আর মাত্র ১৭ রান করলেই ওয়ানডের সর্বকালের সেরা ৪ অলরাউন্ডারের পাশে ঠাঁই পাবে সাকিবের নাম।
জ্যাক ক্যালিস ১৯৭ ম্যাচে ৫০০০ রান ও ২০০ উইকেট পেয়েছিলেন। এ ক্লাবে ঢুকতে জয়াসুরিয়ার লেগেছিল ২০৪ ম্যাচ। পাকিস্তানের শহীদ আফ্রিদি ও আব্দুর রাজ্জাকের লেগেছিল ২৩৯ ও ২৫৮ ম্যাচ।
সাকিব ১৭৮তম ওয়ানডে খেলতে ১৫ অক্টোবর কিম্বার্লিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠে নামবেন। এরপর আরো দুটি ওয়ানডে খেলবেন। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডের কাছে ১৭ রান মামুলি। প্রস্তুতি ম্যাচে ৬৮ রান করা সাকিব এ সফরেই জ্যাক ক্যালিসকে টপকে যাবেন, তা বলাই যায়।
বাংলাদেশের হয়ে তামিম ইকবাল প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডেতে ৫০০০ রান পূর্ণ করেছেন। ড্যাশিং ওপেনারের ওয়ানডেতে রান ৫৭৪৩।

