আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ফ্রান্সের ৩৯ বছর বয়সি নতুন প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ তার সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিলেন ৪৬ বছরের এডুয়ার্ড ফিলিপকে।
সম্রাট নেপোলিয়নের পর ফ্রান্সের সর্বকনিষ্ঠ শাসক ম্যাক্রোঁ হয়তো প্রবীণ কাউকে তার সরকারের প্রধানমন্ত্রী করবেন বলে আশা করা হচ্ছিল। কিন্তু কাছাকাছি বয়সের মধ্য-ডানপন্থি রাজনীতিক ফিলিপকে বেঁছে নিলেন তিনি। তা ছাড়া সরাসরি সরকার পরিচালনায় দুজনের অভিজ্ঞতা নেই বললেই চলে।
ম্যাক্রোঁর নতুন রাজনৈতিক দলের সদস্য নন ফিলিপ। মধ্য-ডানপন্থি রিপাবলিকান পার্টি থেকে ফিলিপকে টেনে আনলেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে ডান ও বামপন্থি নেতাদের সমন্বয়ে নতুন সরকার গঠনের প্রয়াস স্পষ্ট করলেন ম্যাক্রোঁ। ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথম পূর্ণ কার্যদিবসের ব্যস্ততার মধ্যে সোমবার নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা দিলেন ম্যাক্রোঁ। অভিষেকের দিন এলিসি প্রাসাদ থেকে বলা হয়, সোমবারের মধ্যে নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করা হবে এবং হলোও তাই।
ফ্রান্সের উত্তরাঞ্চলীয় বন্দর শহর লি হাভ্রের বর্তমান মেয়র এডুয়ার্ড ফিলিপ। রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়নপ্রত্যাশী অ্যালাইঁ জুপের ডানহাত হিসেবে পরিচিত তিনি। মেয়র হওয়ার আগে বেসরকারি খাতে কাজ করতেন। লেখক গিলেস বোয়েরের সঙ্গে যৌথভাবে একটি রাজনৈতিক থ্রিলার লেখেন ফিলিপ। বোয়েরও ফিলিপের মতো জুপের নির্বাচনী প্রচারে ছিলেন।
কয়েক সপ্তাহ আগে এক টুইটে ম্যাক্রোঁ বলেছিলেন, একজন নারীকে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেবেন। কিন্তু এ নিয়ে সমালোচনা হয়। ফলে বিষয়টি হয়তো এড়িয়ে গেলেন ম্যাক্রোঁ।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় ফিলিপের নিজের রিপাবলিকান পার্টির মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। জুপে বলেছেন, নতুন প্রধানমন্ত্রী একজন ‘মেধাবী মানুষ।’ আরেক রিপাবলিকান নেতা ব্রুওঁ লি মারি বলেছেন, রাজনীতির পুরোনো বিভক্তি দূর করতে এই নিয়োগকে স্বাগত জানাই।

