স্পোর্টস ডেস্ক : দারুণ ছন্দে থেকে ইংলিশ লিগ শিরোপা পুনরুদ্ধারের মঞ্চটা আগেই তৈরি করে রেখেছিল চেলসি। অপেক্ষা ছিল কেবল আনুষ্ঠানিক জয়ে শিরোপা উদযাপন। গতকাল ওয়েস্ট ব্রুমউচের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের গোলে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। প্রতিপক্ষের মাঠে ১-০ ব্যবধানের জয়ে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা উদ্ধার করেছে স্টামফোর্ড ব্রিজের ক্লাবটি।
ওয়েস্ট ব্রুমউইচের মাঠে হারলে শিরোপা নিশ্চিতের জন্য আরও কিছু সময় অপেক্ষায় থাকতে হতো চেলসিকে। তবে গতকাল হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে জয়ের ফলে শেষপর্যন্ত মাঠে জিতেই শিরোপার উচ্ছ্বাসে মাতার সুযোগ পেয়েছে হ্যাজার্ড-কস্তা-উইলিয়ানরা।
ওয়েস্ট ব্রুমের মাঠ হাউথোর্নস স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকে গোছানো ফুটবল খেললেও প্রতিটি আক্রমণের শেষ দিকে বারবার খেই হারিয়ে ফেলছিল চেলসি। অবশেষে পেদ্রোর বদলি হিসেবে নামা মিচি বাতসুয়াইয়ের ৮২ মিনিটের গোলে শিরোপা নিশ্চিত হয় ব্লুজদের।
চেলসির ক্লাব ইতিহাসে এটা ষষ্ঠ আর গত ১৩ বছরে পঞ্চম শিরোপা। ইংলিশ লিগে ৩৬ ম্যাচ শেষে চ্যাম্পিয়ন চেলসির পয়েন্ট ৮৭। এক ম্যাচ কম খেলা টটেনহাম হটস্পার ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে।
ঘরের মাঠে গতকাল চেলসিকে রুখে দিতে চেয়েছিল ওয়েস্ট ব্রুম। ম্যাচের শুরু থেকেই জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি দিয়েগো কস্তা-সেস ফ্যাব্রিগাসরা। ফলে জয়সূচক গোলের জন্য ম্যাচের শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে তাদের। ম্যাচের ৮২ মিনিটে এ অপেক্ষার অবসান হয় মিচি বাতসুয়াইয়ের গোল থেকে। তাকে গোল করতে সহায়তা করেন সিজার আসপিলিকুয়েতা।
হোসে মরিনহোর পর চেলসিকে আবারও শিরোপা জেতাতে সহায়তা করেছেন অ্যান্তেনিও কোন্তে। চতুর্থ কোচ হিসেবে প্রিমিয়ার লিগে প্রথম মৌসুমেই শিরোপা জিতলেন তিনি। তার আগে ২০০৪-০৫ মৌসুমে হোসে মরিনিয়ো, ২০০৯-১০ মৌসুমে কার্লো আনচেলত্তি ও ২০১৩-১৪ মৌসুমে মানুয়েল পেল্লেগ্রিনি এই কীর্তি গড়েছিলেন।
জুভেন্টাসকে টানা তিন মৌসুমে ইতালিয়ান সিরি’আর শিরোপা জেতানোর পর ক্লাব পর্যায়ে চেলসিতে যোগ দিয়েই শিরোপা জিতলেন কোন্তে। তার অধীনে আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগেও দারুণ কিছু করার স্বপ্ন দেখছে ব্লুজরা।

