ঢাকাThursday , 11 May 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খুব আঘাত পেয়েছি : সুশান্ত

Link Copied!

বিনোদন ডেস্ক : গত ৫ মে বিএফডিসিতে অনুষ্ঠিত হয় শিল্পী সমিতির নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছেন ওমর সানি। গত ৭ মে এই নির্বাচন ও ফলাফল বাতিলের লিখিত আবেদন করেন তিনি। তারই পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন আপিল বোর্ড ৮মে পুনরায় ভোট গণনা করে।
পুনরায় ভোট গণনার পর চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০১৭ সালের নির্বাচনের ফলাফলে বেশ কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। গত ৯ মে বিকেলে আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যন নাসিরুদ্দিন দিলু এ তথ্য জানান। সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যাওয়া প্রার্থী ওমর সানি আগে পেয়েছিলেন ১৫৩ ভোট। এখানে ৯ ভোট বেড়ে দাঁড়ায় ১৬২।
৩৪২ ভোট পেয়ে কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন সুশান্ত। পুনরায় ভোট গণনার পর দেখা যায়-তিনি পেয়েছেন ২২৫ ভোট। এদিকে নানা শাহ ২৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার ইচ্ছে রয়েছে কিনা জানতে চাইলে সুশান্ত বলেন, ‘মামলায় যাব না। অনেকেই আমাকে মামলা করার পরামর্শ দিয়েছেন কিন্তু করব না। আমি ফল মেনে নিয়েছি। আমার বাবা-দাদা চৌদ্দগোষ্ঠীর মধ্যে মামলা কী জিনিস, থানা কী জিনিস বোঝে না। মামলায় গেলে কী লাভ হবে? মামলায় গেলে মানুষে এখন যতটা ভালোবাসছেন তখন তা বাসবেন না। যারা মামলার উপদেশ দিয়েছেন আমি তাদেরকে বলছি, আমার থেকে বিজ্ঞলোক নির্বাচন কমিশনে। তারা ভালো-মন্দ বোঝেন। আগামীতে হয়তো কথা বলার সুযোগ আসবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘যারা এখন নির্বাচিত তারা হয়তো কিছু দিতে পারবেন, আমি হয়তো পারব না। যেখানে বৃহত্তর স্বার্থ সেখানে আমার কোনো কথা থাকতে পারে না। আমাকে তো কেউ চেনেন না। তাদেরকে অনেকে চেনেন।’
নির্বাচনের ফল পরিবর্তন হওয়ায় আঘাত পেয়েছেন জানিয়ে সুশান্ত বলেন, ‘খুব আঘাত পেয়েছিলাম। তার পরও মেনে নিয়েছি, আমি এত ছোট মানুষ আমার এত আকাশ ছোঁয়া ইচ্ছা থাকার দরকার নেই।’
ওমর সানি, সুশান্ত, নানা শাহ ছাড়াও শিল্পী সমিতির নির্বাচনে কার্যনির্বাহী পরিষদের বেশ কজন সদস্যের প্রাপ্ত ভোটের পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে আক্তারের পক্ষে ১০ ভোট বেড়ে হয়েছে ১৭১, আলীরাজের ৩০৩ থেকে ১০ ভোট কমে ২৯৩, ফেরদৌসের ১৭ ভোট বেড়ে ২৭৮ ও যুবরাজের ৬ ভোট বেড়ে ২৬ হয়েছে। পুনর্গণনায় ভোট কম-বেশি হলেও এসব সদস্য কমিটিতে আগের অবস্থানেই আছেন।
সুশান্ত বাংলা চলচ্চিত্রে এসেছেন ১৯৮৬ সালে। তাকে অভিনয়ে নিয়ে এসেছেন মাসুম পারভেজ রুবেল। এখন পর্যন্ত অভিনয় করেছেন এক হাজারেরও বেশি সিনেমায়। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলো- ‘বিচ্ছু বাহিনী’, ‘চারিদিকে অন্ধকার’, ‘আমি জেল থেকে বলছি’, ‘মুসা ভাই’, ‘তেজিপুরুষ’, ‘মান্নাভাই’, ‘রক্ত চোষা’, ‘ফুটপাতের শাহেনশাহ’, ‘মায়ের কান্না’, ‘চোখের পানি’, ‘অমর আকবর’, ‘অহংকার’, ‘আমার কোনো টেনশন নাই’ প্রভৃতি।