ঢাকাThursday , 11 May 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘তিন তালাক’ বিধান নিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে শুনানি

Link Copied!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ‘তিন তালাক’-এর আইনি বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা কয়েকটি মামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক শুনানি শুরু করেছে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট।
তিন তালাক বা তাৎক্ষণিক তালাকের মাধ্যমে কোনো স্বামী তার স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ করতে পারেন কি না, বিষয়টি এখন আদালতের কাছে মূল বিবেচ্য। মুখে তিনবার তালাক বললেই বিবাহ বিচ্ছেদ কার্যকর হয় কি না, এ  নিয়ে ধর্মীয় ব্যাখ্যা আমলে নেবেন আদালত।
আদালত বলেছেন, তিন তালাক ধর্মের মৌলিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত কি না, তা বিচার-বিশ্লেষণ করে দেখবেন তারা।
বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি দেশের মধ্যে ভারত একটি, যেখানে মৌখিকভাবে তিনবার তালাক বলে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটায় মুসলিম স্বামীরা। কিন্তু অধিকারকর্মীরা অভিযোগ করেছেন, এ ধরনের চর্চা বৈষম্যমূলক।
ভারতে মুসলিমদের বিভিন্ন গোষ্ঠী ও সংগঠন তাদের ধর্মীয় বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করেছে। কিন্তু আদালতের এ পদক্ষেপে ভারত সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমর্থন রয়েছে।
স্পর্শকাতর এই ইস্যুতে শুনানির জন্য পাঁচ ধর্মের পাঁচ বিচারপতিকে নিয়ে বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। একজন হিন্দু, একজন খ্রিষ্টান, একজন জোরোসট্রিয়ান, একজন শিখ ও একজন মুসলিম বিচারপতি এ বেঞ্চের সদস্য।
তিন তালাকের বিধানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অধিকারকর্মী ও নারীরা যেসব অভিযোগ করেছেন, সেগুলো একত্র করে একটি মামলায় নথিভুক্ত করে তার পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি করছেন আদালত। এই মামলার বাদী-বিবাদী প্রত্যেককে শুনানির জন্য তিন দিন করে সময় দেওয়া হয়েছে। আদালত বলেছেন, ১৯ মের মধ্যে শুনানি শেষ করতে হবে। শুনানি শেষে শিগগিরই রায় শোনাতে পারেন আদালত।
ভারতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। দেশটিতে প্রায় ১৫ কোটি ৫০ লাখ মুসলিমের বসবাস। তাদের বিয়ে ও তালাক অর্থাৎ বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে থাকে শরিয়্যাহ বা মুসলিম আইনের ভিত্তিতে। কিন্তু মুখের কথায় স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অধিকারকর্মীরা লড়াই করে আসছেন এবং এ ধরনের চর্চার বিলুপ্তি করে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।