ঢাকাSunday , 16 April 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মধুমতি খনন ও তীর রক্ষায় ব্যয় হবে ২১০ কোটি টাকা

Link Copied!

Modhumoti_Riverঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার দিগনগর/পবনবেগ এলাকায় মধুমতি নদীর ৫৬৫.০০ মি. বাম তীর সংরক্ষণ কাজ ও ৫০০.০০ মি. খনন করা হবে। এজন্য ব্যয় হবে প্রায় ২১০ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবি) আওতায় বাস্তবায়নাধীন মধুমতি নদীর বাম তীর সংরক্ষণ ও ড্রেজিং প্রকল্পের আওতায় এই কাজ করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য পিপিএ-২০০৬ এর ধারা ৬৮ অনুসারে রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে সরকারি ক্রয় সম্পর্কিত বিশেষ বিধানের আলোকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণের প্রস্তাব করেছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
সূত্র জানায়, ফরিদপুর জেলাধীন আলফাডাঙ্গা উপজেলার দিগনগর একটি স্বনামধন্য গ্রাম। মধুমতি নদীর বাম তীরে এ গ্রামের অবস্থান। দিগনগর এলাকায় বর্ষা মৌসুমে স্রোতের আঘাতে এই নদীর বাম তীর ভাঙন মারাত্মক আকার ধারণ করে। তাই অবিলম্বে গ্রাম, হাট-বাজার ও সরকারি সম্পদ তথা জনসাধারণের জানমাল রক্ষার্থে নদী তীর সংরক্ষণ কাজ বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।
এ লক্ষে আলফাডাঙ্গার দিগনগর/পবনবেগ এলাকায় মধুমতির বামতীর সংরক্ষণ ও ড্রেজিং প্রকল্প ২০১৬ সালের ১১ ডিসেম্বর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় অনুমোদন করে। এরপর চলতি বছর ১ জানুয়ারি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক আদেশ জারি করে।
প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাল ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত। প্রকল্পের মোট ব্যয় ২১৬ কোটি ৭ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এর মধ্যে প্রস্তাবিত মধুমতি নদীর বাম তীর সংরক্ষণ ৫৬৫.০০ মি. কাজ এবং মধুমতি নদী ড্রেজিং ৫০০.০০ মি. কাজের জন্য মোট ২১০ কোটি ১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা ডিপিপিতে সংস্থান রয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় কাজসমূহের মধ্যে অনুমোদিত ডিপিপিতে বৃক্ষরোপণের কাজ ব্যতীত অন্যান্য সব কাজ খোলা দরপত্র পদ্ধতিতে (ওটিএম) বাস্তবায়নের জন্য উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু প্রকল্প এলাকার নদী ভরাট হওয়ার কারণে অনেক জমি বেদখল হয়ে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। তাই প্রকল্প বাস্তবায়নকালে সাধারণ জনগণ কর্তৃক বাধা সৃষ্টি করার সম্ভাবনা রয়েছে এবং প্রকল্পটি সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।
সূত্র জনায়, মধুমতি নদীর বাম তীরে বাজার ও ঘন বসতবাড়ি থাকায় নির্মাণ সামগ্রী সাইটে আনা ও মজুত করার জন্য এবং নদী তীর সংরক্ষণ কাজ ডিজাইন ও স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী বাস্তবায়ন করতে হলে নদী তীর এলাকায় অনেক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে হবে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড বা রাষ্ট্রায়ত্ত অন্য কোনো সংস্থার মাধ্যমে কাজসমূহ বাস্তবায়ন করা হলে বাজারের বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা অপসারণ এবং স্থানীয় বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করা সহজতর হবে এবং প্রকল্পের কাজসমূহ সুষ্ঠুভাবে যথাসময়ে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রকল্পটি ৫টি প্যাকেজের মধ্যে ৪টি প্যাকেজের কাজ বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড বা রাষ্ট্রায়ত্ত অন্য কোনো সংস্থার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।
এ কাজগুলো বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড বা রাষ্ট্রায়ত্ত অন্য কোনো সংস্থাকে নিয়োগ করতে হলে পিপিএ ২০০৬-এর ধারা ৬৮ অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে জনস্বার্থে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণ করা প্রয়োজন।
বিবেচ্য প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণে ক্রয়সংক্রান্ত প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান পুরোপুরি অনুসরণ করা হয়েছে এবং বিবেচ্য প্রস্তাবটি কোনো আইন ও বিধি-বিধানের পরিপন্থী নয়। এক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়মনীতির কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি বলে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রকল্পটির আওতায় ৫৬৫.০০ মি. মধুমতি নদীর বামতীর সংরক্ষণমূলক কাজ এবং ৫০০.০০ মি. মধুমতি নদীর ড্রেজিং কাজ বাস্তবায়নের জন্য পিপিএ-২০০৬ এর ধারা ৬৮ অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে জনস্বার্থে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণের প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে বলে সূত্র জানিয়েছে।