স্পোর্টস ডেস্ক : ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপ যথারীতি ৩২ দলের হবে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপও হবে একই ফরম্যাটে। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে দলসংখ্যা হয়ে যেতে পারে ৪৮টি। যদিও ধারনাটি পুরনো। কিন্তু বৃহস্পতিবার বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার নির্বাহী কমিটির সভায় ২০২৬ বিশ্বকাপে ৪৮ দলের বিষয়টি সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি কোন অঞ্চল থেকে কয়টি দল সুযোগ পাবে সেটারও একটি দিকনির্দেশনা দিয়েছে ফিফা। আগামী মে মাসে বাহরাইনে অনুষ্ঠিত ফিফার কংগ্রেসে অনুমোদন দেওয়া হতে পারে। সে কারণেই ৪৮ দলের বিশ্বকাপের বিষয়টি এখন আবারো আলোচনায় উঠে এসেছে।
৪৮ দলের বিশ্বকাপ হলে সব অঞ্চল থেকেই বেশি দল বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে আফ্রিকা। এই অঞ্চল থেকে বর্তমানে চারটি দল বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়। সেটি বেড়ে হবে ৯টি। এশিয়া থেকে বর্তমানে চারটি দল বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়। সেটি বেড়ে হবে ৮টি। উত্তর, মধ্য ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চল থেকে ৬টি করে দল ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে। বর্তমানে এই অঞ্চল থেকে যথাক্রমে ৩টি ও ৪টি দল বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
দক্ষিণ আমেরিকা (কনমেবল) অঞ্চল থেকে ৬টি দল খেলার সুযোগ পাবে। ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে আগে কোনো দলকে বিশ্বকাপে খেলার ক্ষেত্রে নিশ্চয়তা দেওয়া হত না। ২০২৬ বিশ্বকাপে সে অঞ্চল থেকেও একটি দল অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
ফিফার বিতর্কিত সভাপতি সেপ ব্লাটারের পর দায়িত্ব নেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই ফুটবলের বিকেন্দ্রীকরণের উপর জোর দেন। তিনি একটি স্লোগান নিয়ে এগোচ্ছেন। সেটি হল ‘অধিক দেশ স্বপ্ন ছোঁয়ার সুযোগ পাক।’ তার মতে একবিংশ শতাব্দীতে বিশ্বকাপ বড় হওয়ার দাবি রাখে। যদিও তার এই আইডিয়া বেশ সমালোচনার শিকার হচ্ছে। কিন্তু ফুটবলের বিকেন্দ্রীকরণের ক্ষেত্রে কেউ কেউ তার প্রস্তাবের ভূয়সী প্রশংসাও করছেন।

