নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘কিপিং একটা থ্যাংকসলেস জব।মুশফিক ভালো কিছু করলে সেটা কিন্তু আলোচিত হয়না।
কিন্তু একটা ভুল করলে সেটা বাতাসে ভাসতে থাকে। এটা বাংলাদেশের মানুষের মনে গেঁথে যাওয়া প্রবলেম।একটু খারাপ করলে অনেককে দেখি হামলে পড়তে চায়, হিংস্র হয়ে উঠে। টকশো’তে কথা বলে।কিন্তু আড়াই বছরের দারুণ সাফল্যের কথা কেউ বলেনা।’- বৃহস্পতিবার মুশফিকুর রহিমের হয়ে কথাগুলো বলছিলেন জাতীয় দলের ম্যানেজার ও বিসিবির পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন।
সম্প্রতি মুশফিকুর রহিমের অধিনায়কত্ব ও কিপিং নিয়ে সরগরম ক্রিকেট পাড়া। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন পর্যন্ত এ দুই ইস্যুতে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন। ক্রিকেটবোদ্ধারা মনে করেন, মুশফিকুর রহিম যদি উইকেট কিপিং ছেড়ে দেন তাহলে তার থেকে ব্যাটিংয়ে আরও ভালো সার্ভিস পাবে বাংলাদেশ। কিন্তু মুশফিকুর রহিমের কাছে কিপিং ভালোবাসার আরেক নাম। টিম ম্যানেজম্যান্ট চাইলে দলের প্রয়োজনে নিজ থেকে কিপিং ছাড়তে প্রস্তুত মুশফিক।কিন্তু নিজ থেকে কিপিং চালিয়ে যেতে চান টাইগার দলপতি।
শুধু কিপিং না মুশফিকের অধিনায়কত্ব নিয়ে অনেকে আঙুল তুলেছেন। তিন দায়িত্ব সামলাতে কষ্ট হচ্ছে কি না এমন প্রশ্ন করা হয় খালেদ মাহমুদকে। প্রাক্তন ক্রিকেটার বললেন,‘সে আমাদের দলের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার।সে সব ফরম্যাটেই সমান গুরুত্বপূর্ণ।ও-ই বলতে পারবে ওর কাজের চাপ বেশি কিনা।যখনই ওকে দেখি, ও বলে সব সে উপভোগ করে।তার মানে ওর কাজের চাপ নেই।ও যদি মনে করে চাপ হচ্ছে, তাহলে ও বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করবে।আমার মনে হয় ও কিপিং ভালোবাসে।যতোদিন পর্যন্ত সে উপভোগ করবে, সে করে যেতে পারে।কারণ সে দলকে অনেক সার্ভিস দিয়ে আসছে, ও এই সম্মানটা পেতেই পারে।আর যদিও নিজেকে ক্লান্ত মনে করে, সেটা আলাদা কথা।’

