স্পোর্টস ডেস্ক : প্রথম দিনে লাঞ্চের আগে ৭৮ বলে সেঞ্চুরি করে গড়েছিলেন রেকর্ড। ডেভিড ওয়ার্নার তাণ্ডব চালালেন দ্বিতীয় ইনিংসেও। অস্ট্রেলিয়ার খুনে ব্যাটিংয়ে সিডনি টেস্টের চতুর্থ দিন চোখের জল নাকের জল এক হলো পাকিস্তানের বোলারদের।
৪৬৫ রানের রেকর্ড লক্ষ্য তাড়ায় এখন ম্যাচ বাঁচাতে লড়ছে পাকিস্তান। চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তান তুলেছে ১ উইকেটে ৫৫ রান। শেষ দিনে আরো ৪১০ রান প্রয়োজন সফরকারীদের, আর স্বাগতিকদের চাই ৯ উইকেট।
চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনের পুরোটায় ভেসে যায় বৃষ্টিতে। আগের দিনের ৮ উইকেটে ২৭১ রান নিয়ে লাঞ্চের পর ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তান অলআউট হয় ৩১৫ রানে। আগের দিনে সেঞ্চুরি করা ইউনিস খান অপরাজিত ছিলেন ১৭৫ রানে।
প্রথম ইনিংসে ৫৩৮ রান করা অস্ট্রেলিয়া পাকিস্তানকে ফলোঅন না করিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে দ্বিতীয় ইনিংসে। আর ব্যাটিংয়ে নেমেই তাণ্ডব শুরু ওয়ার্নারের।
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার মাত্র ২৩ বলে পূর্ণ করেন ফিফটি। যেটি টেস্ট ইতিহাসেরই দ্বিতীয় দ্রুততম ফিফটি। দ্রুততম ফিফটির রেকর্ডটি ওয়ার্নারের ব্যাটিং মাঠে দাঁড়িয়ে দেখা পাকিস্তান অধিয়ায়ক মিসবাহ-উল-হকের। ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই আবুধাবি টেস্টে মিসবাহ ফিফটি করেছিলেন ২১ বলে। প্রথম ইনিংসে ইতিহাসের পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টের প্রথম দিনে লাঞ্চের আগে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়া ওয়ার্নার ২৭ বলে ৮ চার ও ৩ ছক্কায় ৫৫ করে ওয়াহাব রিয়াজের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন।
এরপর উসমান খাজার অপরাজিত ৭৯, স্টিভেন স্মিথের ৫৯ ও পিটার হ্যান্ডসকমের অপরাজিত ৪০ রানের সুবাদে অস্ট্রেলিয়া ৩২ ওভারে ২ উইকেটে ২৪১ রানে ঘোষণা করে দ্বিতীয় ইনিংস। রান তোলার গড় ৭.৫৩! টেস্টে ১০০ বা এর বেশি রানের ইনিংসে সেরা গড় এটিই। অস্ট্রেলিয়া পেছনে ফেলেছে ১৯৮৩ সালে ভারতের বিপক্ষে কিংসটন টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৬.৮২ গড়ে ৬ উইকেটে তোলা ১৭৬ রানকে।
সিডনিতে সর্বোচ্চ ২৮৭ রান তাড়া করে জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। এই মাঠে কোনো সফরকারী দল ২০০-এর বেশি রান তাড়া করতে জিততে পারেনি। সেখানে পাকিস্তানকে করতে হবে ৪৬৫ রান। দিনের বাকি ১৬ ওভারে শারজিল খানের উইকেট হারিয়ে ৫৫ রান তুলেছে পাকিস্তান। আজহার আলী ১১ ও ইয়াশির শাহ ৩ রান নিয়ে শেষ দিনের খেলা শুরু করবেন।

