ঢাকাThursday , 5 January 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইউজিসিকে উচ্চশিক্ষা কমিশনে রূপান্তরের খসড়া প্রস্তুত

Link Copied!

UGC-logoনিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) উচ্চশিক্ষা কমিশনে রূপান্তর, উচ্চশিক্ষায় ২০১৮ সালের মধ্যে জিডিপি ০.৬৫ শতাংশ থেকে ১ শতাংশে উন্নীত করা ও আরো কয়েকটি বিষয়ে খসড়া প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম ‘ড্রাফট স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান ফর হায়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ ২০১৭-২০২৬’ এর উপর এ খসড়া প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।
ইউনিভার্সিটি-ইন্ডাস্ট্রিজ যোগসূত্র স্থাপন, উচ্চশিক্ষাকে ঢেলে সাজানো, সকল পাবলিক বিশ^বিদ্যালয়ের জন্য আমব্রেলা অ্যাক্ট প্রণয়ন, জাতীয় বিশ^বিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সুসংহত এবং বিকেন্দ্রিকরণ করা, পাবলিক বিশ^বিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ, ন্যাশনাল অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা, ন্যাশনাল রিসার্চ কাউন্সিল গঠন, এমপ্লয়মেন্ট প্রোভাইডারদের চাহিদার আলোকে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ^বিদ্যালয়সমূহের কোর্স কারিক্যুলাম ডিজাইন করা, বিশ^বিদ্যালয়সমূহের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ দূরীকরণ এবং ইসলামিক অ্যারাবিক ইউনিভার্সিটির জন্য সুস্পস্ট নীতিমালা এবং সুপারভিশন, ইত্যাদি বিষয় প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউজিসির চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মহিউদ্দিন খান, প্রকল্প পরিচালক ড. গৌরাঙ্গ চন্দ্র মোহন্ত, ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউসুফ আলী মোল্লা এতে উপস্থিত ছিলেন।
ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ^বিদ্যালয়ের জন্য স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানের উপর বিশেষজ্ঞ কমিটি কর্তৃক প্রণীত রিপোর্ট দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের জন্য তিনি এক্ষেত্রে সরকারের প্রশংসা করেন এবং কমিটির সদস্যদের সুপারিশমালা প্রণয়নে তাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষা ক্ষেত্রে বিনিয়োগ জনশক্তিকে জনসম্পদে পরিণত করে। অন্য যে কোন সেক্টরের তুলনায় শিক্ষায় বিনিয়োগ সব সময়ই অর্থবহ ও তাৎপর্যপূর্ণ।’ তিনি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য দেশের যুবশক্তিকে আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতায় গড়ে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করেন।