বিনোদন ডেস্ক : চলতি বছরের শুরুতে অভিনেতা হৃতিক রোশান এবং অভিনেত্রী কঙ্গনা রাণৌতের মধ্যে লড়াই শুরু হয়। বিভিন্ন কারণে সংবাদের শিরোনাম হচ্ছিলেন তারা। আইনি নোটিশ দিয়ে তাদের মধ্যে বিবাদের শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত তাদের ব্যক্তিগত তথ্য সবার সামনে আসতে শুরু করে।
অবশেষে শেষ হচ্ছে এই দুজনের আইনি লড়াই। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হৃতিক ও কঙ্গনার মধ্যে যে ব্যক্তিগত ও রোমান্টিক ইমেইল আদান প্রদান হয়েছে মুম্বাই পুলিশ তা তদন্ত করে দেখেছে। অবশেষে এ বিষয়ে তদন্তের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। তবে বিষয়টি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি পুলিশ।
এ প্রসঙ্গে ক্রাইম ব্রাঞ্চের জয়েন্ট কমিশনার অব পুলিশ সঞ্জয় সাক্সেনা বলেছেন, ‘আমরা মেইল আইডিতে কিছু পাইনি। কারণ সার্ভারটি আমেরিকার। তাই অ্যাকাউন্টটি কে ব্যবহার করত, তা বলা মুশকিল। তবে যেটুকু প্রমাণ আছে, তার উপর ভিত্তি করে আমরা সিদ্ধান্তে আসতে চাইছি।’
‘এ মামলার আর কোনো পথ নেই। একমাত্র আমেরিকায় যে সার্ভার আছে, তার তথ্যই আমাদের সাহায্য করতে পারে। জানাতে পারে অ্যাকাউন্টটি কে ব্যবহার করত।’, সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন পুলিশের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
কঙ্গনার আইনজীবী রিজওয়ান সিদ্দিকী বলেন, ‘তদন্ত শেষে পুলিশ যে NIL রিপোর্ট দিয়েছেন তাতে আমরা অবাক হয়নি। এর মানে তারা প্রতারককে চিহ্নিত করতে পারেননি যেটি হৃতিক দাবি করছিলেন। কিন্তু কঙ্গনা সবসময় বলে এসেছেন কোনো প্রতারক নেই।’
এর আগে এক সাক্ষাৎকারে হৃতিককে ‘সিলি এক্স’ অর্থাৎ ‘বোকা সাবেক প্রেমিক’ বলে উল্লেখ করেছিলেন কঙ্গনা। এরপর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তুলে কঙ্গনার বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন হৃতিক রোশান। পরবর্তীতে কঙ্গনাও পাল্টা আইনি নোটিশ পাঠান। তারপর থেকেই তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। কঙ্গনা দাবি করেন হৃতিক তাকে রোমন্টিক ইমেলইল পাঠাত। কিন্তু বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং জানান তিনি কোনো ইমেইল পাঠাননি। হয়তো তার নাম ব্যবহার করে অন্য কোনো প্রতারক কাজটি করেছেন।

