ঢাকাTuesday , 8 November 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এইডস নিরাময় সম্ভব!

Link Copied!

aidsবিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক : এইডস হচ্ছে, এইচআইভি নামক ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট একটি মরণব্যাধি যা সম্পূর্ণরুপে নিরাময়ের উপায় এখনো পাওয়া যায়নি। এই ব্যাধি মানুষের শরীরের রোগ-প্রতিরোধের ক্ষমতা হ্রাস করে দেয়। এতে করে একজন এইডস রোগী খুব সহজেই যেকোনা সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হতে পারেন, যা শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু ঘটায়।
যেহেতু একবার সংক্রামক এইচআইভি শরীরে ঢুকলে তাকে পুরোপুরি দূর করা এখন পর্যন্ত সম্ভব হয়নি, তাই এইচআইভি সংক্রমণ হলে এইডস প্রায় অনিবার্য। তবে বিনা চিকিৎসায় এইডস পর্যায়ে পৌঁছতে যদি লাগে গড়ে দশ বছর তবে অত্যন্ত খরচ সাপেক্ষ চিকিৎসার দ্বারা তাকে আরো কিছু বছর পিছিয়ে দেওয়া যায়।
বলা যায়, রোগটাকে কোনোরকম ঠেকিয়ে রাখার গবেষণা চলছে। অর্থাৎ রোগীকে যতদিন বাঁচিয়ে রাখা যায় তার রাস্তা খুঁজে বের করা হচ্ছে। যাতে ঠান্ডা না লাগে, জ্বর-সর্দি-কাশি না হয়। হাত-পা কেটে সংক্রমণ না হয়। কারণ শরীরের যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সেটাকেই শেষ করে দেয় এইডস এর ভাইরাস। এই ভাইরাস বা এইচআইভি এতই ভয়ঙ্কর, অপ্রতিরোধ্য, যে কোনোভাবেই তাকে বাগে আনতে পারছিলেন না গবেষকরা।
তবে সম্প্রতি একদল ইজ়রায়েলি গবেষক দাবি করেছেন, তারা সম্ভবত নিরাময় ব্যবস্থা তৈরি করে ফেলেছেন এইচআইভির। তাদের পরীক্ষামূলক বেশ কয়েকটি গবেষষায় এই নিরাময় ব্যবস্থা সফল হয়েছে। এবার চূড়ান্ত পরীক্ষার পালা। তার আগেই তারা বিষয়টি তুলে ধরেছেন সংবাদমাধ্যমে।
জেরুজালেমের হিব্রিউ বিশ্ববিদ্যালয়ে একদল গবেষক জানিয়েছেন, তারা এমন একটি প্রোটিন তৈরি করেছেন, যা মাত্র আটদিন রোগীর দেহ থেকে ৯৭ শতাংশ এইচআইভি সংক্রমণ তাড়াতে সক্ষম হয়েছে। ১০০ শতাংশ সংক্রমণ মুক্ত করা যায় কি না তারা এখন সেই পরীক্ষাটিই করছেন।
যেভাবে কাজ করে এই প্রোটিন
এইচআইভি ভাইরাস মানব শরীরে বিশেষ ধরনের শ্বেত কণিকা ধ্বংস করে। যা মূলত সিডি৪ নামে পরিচিত। এই কণিকা নষ্ট হওয়ার ফলে মানব শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এছাড়া ভাইরাসটি শরীরের বিভিন্ন কোষের মধ্যে ঢুকে নিজেদের বংশবৃদ্ধি করে এবং সিডি৪ এর পুনর্গঠনে বাধা সৃষ্টি করে। কোনো ব্যক্তির দেহে সিডি৪-এর সংখ্যা প্রতি কিউবিক মিলিমিটারে ২০০-র কম হলে সেই ব্যক্তি এইডস আক্রান্ত বলে ধরে নেওয়া হয়।
গ্রামোর নামে এক প্রোটিন কণা আবিষ্কার করেছেন গবেষকরা। তারা বলেছেন, এই কণা এইচআইভির ডিএনএ তৈরিতে সাহায্য করে। ফলে দুটো একটা নয় সিডি৪-এর ভিতর এইচআইভি-দানা বাঁধে হু হু করে। এত বেশি তার সংখ্যা যে, একটা সময় পর সিডি৪ নিজে নিজেকেই ধ্বংস করে ফেলে সুইসাইড স্কয়্যাডের সদস্যদের মতো। এটাও সিডি৪-কণিকার গুণ। ফলে এইচআইভি ভাইরাস অন্য সিডি৪ কণিকাকে আক্রমণের সময় পায় না। কমতে শুরু করে সংক্রমণ।
আব্রাহাম লয়টার, যিনি এই ওষুধ আবিষ্কারকদের একজন, তিনি ইজরায়েলের চ্যানেল ২- কে বলেন, ‘আমাদের এ পদ্ধতিতে এইচআইভি আক্রান্ত কোষ ধ্বংস করা হয়, তাই কোনো সুযোগ নেই যে ভাইরাস একদিন জাগ্রত হবে।’