নিজস্ব প্রতিবেদক : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নাসিরনগরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ, মন্দিরে হামলা চালিয়ে প্রতিমা ভাঙচুর ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।
একইসঙ্গে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ জনগণের জানমালের সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষায় সরকারকে আরো কঠোর অবস্থানে থেকে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানায় সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানায় সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টায় যারা মেতে উঠেছে, তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
ফেসবুকের মাধ্যমে ইসলাম অবমাননার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত ও হেফাজত ইসলামের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ থেকে কিছু উচ্ছৃঙ্খল লোক প্রায় ২৫টি হিন্দু বাড়িঘর এবং দত্তবাড়ি মন্দির, জগনড়বাথ বাড়ি মন্দিরসহ ছয়টি মন্দিরে হামলা চালিয়ে প্রতিমা ভাঙচুরসহ ব্যাপক লুটপাট চালিয়েছে। এতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।
এই ঘটনার জের ধরে হবিগঞ্জের মাধবপুর মন্দিরে ও মাগুরার মহম্মদপুর এলাকায়ও মন্দিরসহ কয়েকটি হিন্দু পরিবারের ওপর হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে দুর্বৃত্তরা।
‘অতীতে আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে এসব ধর্ম ব্যবসায়ী উগ্রবাদীরা বেরিয়ে গিয়ে আরো সংগঠিত হয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে,’ শিক্ষক কমিটির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
এসব উগ্রবাদী সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি বিধান ও ক্ষতিগ্রস্তদের সম্পূর্ণ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান শিক্ষকরা।

