ঢাকাTuesday , 20 September 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা করতে হবে

Link Copied!

hasina1নিউজ ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘যেকোনো পরিস্থিতিতে তাদের মর্যাদা নির্বিশেষে অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা করতে হবে।’ তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী আমাদের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি, অভিবাসী ও শরণার্থীদের অধিকার সংরক্ষণ সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
অভিবাসী ও শরণার্থীদের অধিকার সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, অভিবাসন বিষয়টি সার্বিকভাবে মোকাবিলায় বিশ্বকে পারস্পরিক দায়িত্বশীলতার ওপর ভিত্তি করে একটি সাধারণ সমঝোতায় পৌঁছাতে হবে। সোমবার প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের প্লেনারির একটি উচ্চপর্যায়ের সভায় শরণার্থী ও অভিবাসীদের সম্পর্কে এ কথা বলেন।
শরণার্থী ও অভিবাসীদের বিষয়ে প্রথমবারের মতো সম্মেলন আহ্বান করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনকে ধন্যবাদ জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের দেশান্তরি হওয়ার বিষয়টিকে সামাল দিতে একটি বাস্তবসম্মত, উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং শক্তিশালী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের এই ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ বিশ্বকে অবশ্যই কাজে লাগাতে হবে। আর তা হতে হবে বৃহত্তর উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে।
অভিবাসন সমস্যা মোকাবিলায় পাঁচটি বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, মানুষের মঙ্গলের জন্য অভিবাসনকে একটি বাস্তবতা হিসেবে মেনে নিতে হবে এবং তা যেন মানুষকে মুক্তির পথ দেখাতে পারে, সে ব্যবস্থা করে দিতে হবে।
অভিবাসন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘদিনের ফাঁকগুলো পূরণ করতে এ বিষয়ে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে একটি বৈশ্বিক চুক্তির প্রস্তাব করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই চুক্তি হতে হবে টেকসই উন্নয়নের ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। তা হতে হবে উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং বাস্তবায়নযোগ্য সেই সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ এবং নমনীয়।
শরণার্থীদের আত্তিকরণের ক্ষেত্রে সহনশীলতা ও বোঝাপড়া বাড়াতে সচেতনা তৈরির ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুহারা মানুষের বিষয়টিকেও অভিবাসন বিষয়ক চুক্তিতে আমলে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বৈঠক করেন মিয়ানমারের ‘স্টেট কাউন্সিলর’ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অং সান সু চি। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন কমনওয়েলথ মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া জ্যানেট।
বৈঠকে এ দুই নেতা আইনের শাসন, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন। কমনওয়েলথ মহাসচিব বলেন, ‘মুক্ত গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর একে অন্যের প্রতি লক্ষ্য রাখা উচিত। এ বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনা ও দৃঢ়তায় আমি খুবই আনন্দিত।’