ঢাকাTuesday , 20 September 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চট্টগ্রামে বিশেষায়িত বার্ন ইউনিট করবে চীন

Link Copied!

ctgচট্টগ্রাম প্রতিনিধি : প্রয়োজনীয় ও উপযোগী জায়গা পাওয়া গেলে চট্টগ্রামে বিশেষায়িত বার্ন ইউনিট করবে চীন। এ জন্য প্রয়োজনীয় টাকার অংক যত বড়ই হোক এতে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন চীনা প্রতিনিধিদল। ভবন নির্মাণ থেকে শুরু করে সব ধরনের যন্ত্রপাতি অনুদান হিসেবে দিয়ে চীন এই বার্ন ইউনিট চালু করবে বলে জানিয়েছে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
চট্টগ্রামে বিশেষায়িত বার্ন ইউনিট গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করেছে চীনা প্রতিনিধিদল।
বার্ন ইউনিট স্থাপনের চীনের এই আগ্রহের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ডা. সামন্ত লাল সেন।
সামন্ত লাল সেন জানান, চীন তাদের শতভাগ অনুদানে চট্টগ্রামে একটি পূর্ণাঙ্গ ও বিশেষায়িত বার্ন ইউনিট করতে আগ্রহী। এ জন্য তারা উপযুক্ত জায়গা খুঁজছেন। প্রয়োজনীয় জায়গা পেলে বার্ন ইউনিটের জন্য যত টাকাই প্রয়োজন হউক এই টাকা তারা অনুদান হিসেবে দিতে রাজি। চট্টগ্রামে বার্ন ইউনিট স্থাপনের জায়গা নির্বাচন ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে গতকাল মঙ্গলবার চীনের ৭ জন প্রকৌশলী ও ২ জন কর্মকর্তা চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এলাকা পরিদর্শন করেন।
চীনা প্রতিনিধি দল হাসপাতালের চারপাশ ঘুরে দেখেন। এর মধ্য থেকে হাসপাতালের পেছনের অংশে খালি জায়গায় বিশেষায়িত এ ইনস্টিটিউট করতে দলটি আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন দলটির সঙ্গে থাকা ডা. সামন্ত লাল সেন।
তিনি জানান, হাসপাতালের পেছনের খালি জায়গাটি প্রাথমিকভাবে তারা পছন্দ করেছেন। সেখানেই সব ধরনের সুবিধাসম্বলিত একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠান তারা করতে চায়। সব কিছুই তারা করবে।
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জালাল উদ্দিন বলেন, চীনা প্রতিনিধিদলকে পুরো এলাকা দেখানো হয়েছে। আমরা চেয়েছি হাসপাতালসংলগ্ন গোঁয়াছি বাগান এলাকায় বার্ন ইউনিটের আলাদা ভবনটি করতে। ওখানে স্টাফ কোয়ার্টারের চারটি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ। সেগুলো এমনিতেই ভাঙতে হবে। তাই সেখানে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ওই ভবন করতে পারলে খারাপ হতো না। আমরা আমাদের যুক্তিগুলো তুলে ধরেছি। তবে তারা সম্ভবত ওখানটায় ততটা আগ্রহী নয়। হাসপাতালের পেছনের অংশে খালি জায়গাটিতেই তারা আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে। তবে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
এই ব্যাপারে ডা. সামন্ত লাল সেন জানান, ঢাকায় তাদের সঙ্গে আরো বৈঠক হবে। তাছাড়া তারা পরিদর্শন প্রতিবেদন তাদের সরকারের কাছে জমা দেবে। সরকার রাজি হলে উভয়পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী এক বছরের মধ্যেই চট্টগ্রামে বিশেষায়িত পূর্ণাঙ্গ বার্ন ইউনিট স্থাপনের নির্মাণ কাজ শুরু হবে।